মেক্সিকোতে সরকার বিরোধী বিক্ষোভে নেমেছেন তরুণরা। সহিংসতা, দুর্নীতি, এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এই বিক্ষোভের আয়োজন করে জেন-জি দের একটি দল। প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শিনবম সরকারের বিরুদ্ধে উত্তাল মেক্সিকোর রাজপথ। আন্দোলনের নেতৃত্বে তরুণ সমাজ থাকলেও এতে যুক্ত হতে শুরু করেছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও। পুলিশ সদস্যসহ আহত হয়েছেন অন্তত ১২০ জন।
এবার জেন জি আন্দোলনে উত্তাল মেক্সিকো। সহিংসতা, দুর্নীতি আর রাজনৈতিক বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে বিস্ফোরিত ক্ষোভে মেক্সিকোর তরুণনা। তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে রাস্তায় নামে হাজারো মানুষ। এই আন্দোলকে প্রকাশ্যে সমর্থন দিয়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ভিসেন্তে ফক্সসহ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি।
বিক্ষোভের কেন্দ্রবিন্দু-উরুয়াপানের জনপ্রিয় মেয়র কার্লোস মানজো। পয়লা নভেম্বর ‘ডে অব দ্য ডেড’ উৎসবে অংশ নেওয়ার সময় তাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। সন্ত্রাসবাদ ও মাদকচক্র নিয়ে খোলামেলা সমালোচনা করতেন কার্লোস। রাজনীতিতে আর অবস্থান ছিলো বেশ শক্ত।
তাকে হত্যার প্রতিবাদেই শুরু হয় বিক্ষোভ। বিক্ষোভকারীদের হাতে থাকা ব্যানারে লেখা ছিল ‘উই আর অল কার্লোস মানজো। অনেকেরই মাথায় ছিলো মানজোর রাজনৈতিক প্রতীক, খড়ের টুপি।
বিক্ষোভ চলাকালে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের সামনে। বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্টের বাসভবনের নিরাপত্তা ব্যারিকেডের একটা অংশ ভাঙার চেষ্টা করলে তাদের বাধা দেয় পুলিশ। ছোড়ে টিয়ারগ্যাস।
তবে প্রেসিডেন্ট শিনবম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন বিক্ষোভে ডানপন্থি রাজনৈতিক শক্তি অর্থায়ন করছে এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে সরকারবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণ বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
কার্লোস মানজো হত্যাকাণ্ডের পর নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে জনমনে নতুন করে উদ্বেগ জন্মেছে। আর নতুন প্রজন্মের এই আন্দোলন মেক্সিকোকে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সামনে আরও বড় বিক্ষোভের ইঙ্গিতও দিচ্ছেন সংগঠকরা।
