মানবাধিকারের প্রতি ধারাবাহিক অবহেলা থেকেই ২৪ এ রুখে দাঁড়ায় ছাত্র-জনতা, এমন মন্তব্য করেছেন গবেষক ও শিক্ষকরা। তারা বলছেন, ফের যদি কেউ মানবাধিকার রক্ষার আন্তর্জাতিক মানদণ্ড না মেনে রাষ্ট্র পরিচালনা করে তাহলে রুখে দাঁড়াবে মানুষ।
আজ বুধবার বিশ্ব মানবাধিকার দিবস। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য- ‘মানবাধিকার, আমাদের নিত্যদিনের অপরিহার্য’। অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশ দ্বিতীয়বারের মতো পালন করছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস।

২৪ এর অভ্যুত্থান পরবর্তী রাষ্ট্রের প্রয়োজনে দায়িত্ব আসে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার। ১৭ মাস হলো রাষ্ট্র পরিচালনা করছে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার।
রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন, আইনের অপপ্রয়োগ করেনি অন্তর্বর্তী সরকার, এমনকি বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডও কমানো গেছে।

ভিন্নমতের প্রতি অসহিষ্ণুতা, বৈষম্য, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নানা অভিযোগ, মত প্রকাশের স্বাধীনতায় মব ভীতি এমন নানা চ্যালেঞ্জ আছে। তবে শিক্ষার্থীদের কারও কারও অভিমত, দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি যথেষ্ট ভালো আছে অতীতের তুলনায়।
২৪ এ মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের এক মামলায় রায় এসেছে, গুমের মামলায় বিচার চলছে। তবে ফ্যাসিস্ট দোসর অনেকের বিচার দেখতে চায় অভ্যুত্থানের অংশীদাররা।
দেশ এখন নির্বাচনী ট্রেনে যাত্রা করেছে। এই সময় রাজনৈতিক সহিংসতা বেড়ে যায়। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে অন্তর্বর্তী সরকারকে। নির্বাচিত সরকার মানবাধিকার রক্ষায় তাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে বলে প্রত্যাশা বিশ্লেষকের।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তমালিকা সুলতানা বলেন, পরস্পর সহমর্মিতা-সহযোগিতার মাধ্যমে সব রাজনৈতিক দল যদি একসাথে কাজ করে তাহলে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ন্যায় বিচার, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে গণতন্ত্রের চর্চা অব্যাহত থাকলে সমাজে মানবাধিকার সুরক্ষিত থাকে।
ইন্টারনেট বন্ধ করে গণহত্যা: জয়-পলকের বিরুদ্ধে শুনানি আজ