ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলছেন, তাকে নির্বাচনের মাঠে দেখতে চাই। হাদির ওপরে আঘাত মানে আমাদের গণতন্ত্রের ওপর আঘাত, বাংলাদেশের স্বাধীনতার উপর আঘাত। এখন আমরা একাত্তরের মতো খারাপ সময় পার করছি।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ ও ঢাকা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলের আগে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, যারা হাদির ওপর হামলা করেছে এদের ষড়যন্ত্র আমরা একাত্তরে দেখেছি আর সাতচল্লিশে শুনেছি। এই দলটি সবসময় ষড়যন্ত্রের করে থাকে।
তিনি বলেন, সে আমার সন্তান সমতুল্য। হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার সংবাদ পেয়ে আমি মানসিকভাবে আহত হয়েছি। এ আঘাত গণতন্ত্রের ওপর আঘাত। যারা এই আঘাত করেছে, তাদের কালো হাত ভেঙে দিতে হবে।
মির্জা আব্বাস বলেন, গতকাল হাসপাতালে আমার ওপর যারা মবক্রেসি করেছে তারা হাদির সমর্থক না, বিশেষ একটি গোষ্ঠীর সমর্থক। আমি চেয়েছিলাম হাসপাতালে হাদির চিকিৎসা হোক। কিন্তু যারা সেখানে মব সৃষ্টি করেছিলো তারা চেয়েছিল হাদি ওখানেই মারা যাক।
হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর এক-দেড়শ লোক ফেসবুকে দেশে মব সৃষ্টির জন্য উসকানি দিয়ে পোস্ট দিয়েছেন এবং তারা সকলেই একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের বলে জানান মির্জা আব্বাস।
বিএনপির এই নেতা বলেন, সাতাত্তর সাল থেকে নির্বাচন করে আসছি। কারও সাথে মারামারি হয়নি। একসাথে প্রার্থীরা কোলাকুলি করেছি, খেয়েছি। মারামারি করে আওয়ামী লীগ। আর নির্বাচনসহ রাষ্ট্রকে অস্থির করে সেই বিতর্কিত রাজনৈতিক দল। আমরা চাই, হাদির ওপর হামলাকারী গ্রেপ্তার হোক এবং বিশেষ দলের মুখোশ উন্মোচিত হোক।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
