গুম করে শতাধিক মানুষ খুনের ঘটনায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে চলা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য পেশ শেষ করেছেন সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি তাকে জেরা করবেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি গোলাম মতুর্জা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ এই সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
আজ ট্র্যাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এমএইচ তামীমসহ অপর প্রসিকিউটররা। অন্যদিকে জিয়াউল আহসানের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী ও নাজনীন নাহার।
সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান গ্রেপ্তার রয়েছেন। তিনি ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) মহাপরিচালক ছিলেন।
সাক্ষ্যে সাবেক সেনা কর্মকর্তা ইকবাল করিম ভূঁইয়া বলেন, ওই সময়ে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে র্যাব মানুষ হত্যা করত। হত্যার পর মরদেহের সঙ্গে ইট বেঁধে নদীতে ফেলে দেওয়া হতো, যাতে আলামত নষ্ট হয়।
তিনি আরও বলেন, ‘আয়না ঘর’-এর মতো অপসংস্কৃতির জন্ম দেওয়ার মাধ্যমে ডিজিএফআই তার নৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বৈধতা হারিয়েছে। এ কারণে তিনি র্যাব ও ডিজিএফআই বিলুপ্তির দাবি জানান।
এদিকে পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এ পর্যন্ত সব কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন চিফ প্রসিকিউটর।
তিনি জানান, ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠনের পর এখন পর্যন্ত ২৪টি আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে ২১টি মামলার বিচার চলমান, ৩টিতে রায় ঘোষণা হয়েছে। এসব মামলায় ২৬ জন সাজাপ্রাপ্ত, ১ জন খালাস এবং ১ জন জামিন পেয়েছেন।
সরকার পরিবর্তনে বিচার কার্যক্রমের প্রভাব নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে ট্রাইব্যুনালের বিচার বন্ধ হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। বরং নির্বাচিত সরকার এলে বিচার কার্যক্রম আরও গতি পাবে বলে তারা প্রত্যাশা করেন।
ভোটের মাঠে থাকবে সাড়ে পাঁচ লাখের বেশি আনসার-ভিডিপি সদস্য: মহাপরিচালক
ঢাকায় ৩৭ ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র, মোতায়েন থাকবে ২৫ হাজার পুলিশ: ডিএমপি কমিশনা