চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ‘ক্রীড়া কার্ড’ ও বিশেষ ভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে শিক্ষার্থী যে খেলা পছন্দ করবে, সেটিতে যেন সে দক্ষ হিসেবে তৈরি হতে পারে, সরকার সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে।
জীবনযাত্রার মান ও দেশকে এগিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে সরকার, এরই অংশ হিসেবে এই ‘ক্রীড়া কার্ড’ চালু করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, খেলাধুলায় পরাজয় মানে হেরে যাওয়া নয়, এটি জয়েরই অংশ। আজ হারলে কাল জিততে পারবেন। বর্তমান সময়ে ক্রীড়া কেবল শখ বা বিনোদন নয়, এটি একটি প্রতিষ্ঠিত পেশা। বাংলাদেশও এক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকবে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া ইশতেহার অনুযায়ী ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, এই ভাতার মাধ্যমেই তার বাস্তবায়ন শুরু হলো।
খেলোয়াড়দের অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা দূর করতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বলেন, ক্রিকেট ও ফুটবলের পাশাপাশি অন্যান্য খেলাকেও এগিয়ে নিতে চায় সরকার। এজন্য স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। আগামী ৩০ এপ্রিল সিলেট থেকে শুরু হচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কার্যক্রম, যার মাধ্যমে সাতটি খেলার প্রতিভাদের খুঁজে বের করে আন্তর্জাতিক ইভেন্টে পাঠানোর চেষ্টা করবে সরকার।
একই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জানান, ক্রীড়াবিদদের মতো কৃষকদেরও আগামী ১৪ এপ্রিল ‘কৃষক কার্ড’ দেওয়া হবে। ক্রীড়াবিদদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশপ্রেম, ইচ্ছা আর টিম স্পিরিট থাকলে সাফল্যের অগ্রযাত্রায় কেউ বাধা হতে পারবে না। আমাদের কথা কম এবং কাজ বেশি করতে হবে।
তিনি খেলোয়াড়দের কোনো দল বা গোষ্ঠীর নয়, বরং নিজস্ব নৈপুণ্য দিয়ে বিশ্বমঞ্চে দেশের প্রতিনিধি হওয়ার আহ্বান জানান।
‘ক্রীড়া কার্ড’ ও ভাতা কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী