মাতারবাড়ীতে আধুনিক জাহাজ নির্মাণ-মেরামতকেন্দ্র স্থাপনে নীতিগত অনুমোদন

আপডেট : ১২ আগস্ট ২০২৬, ০৯:১০ পিএম

মাতারবাড়ীতে প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার, অর্থাৎ আনুমানিক ১২ হাজার ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগে আধুনিক সবুজ জাহাজ নির্মাণ ও মেরামতকেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। 

অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক এআইএস মেরিন ইনভেস্টমেন্টস প্রাইভেট লিমিটেড প্রকল্পটির অর্থায়ন করবে এবং চীনের চায়না হারবার ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড কারিগরি অংশীদার হিসেবে কাজ করবে। প্রস্তাবিত এই স্থাপনা শুধু জাহাজ মেরামতের জন্য নয়; ভবিষ্যতে জাহাজ নির্মাণ, সামুদ্রিক প্রকৌশল, যন্ত্রাংশ উৎপাদন ও সংশ্লিষ্ট শিল্পের একটি পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটির কারিগরি ও আর্থিক মূল্যায়ন বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব কর্তৃপক্ষের অধীনে চলছে।

প্রকল্পটির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া একজন সামুদ্রিক প্রকৌশলীর আন্তর্জাতিক পেশাগত নেতৃত্বও। এআইএস মেরিন ইনভেস্টমেন্টসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুল ইসলাম শরীয়তপুরে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবনে তিনি যশোর জিলা স্কুল, পালং তুলাসার উচ্চবিদ্যালয়, নটর ডেম কলেজ এবং চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমিতে পড়াশোনা করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি তাসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন এবং অস্ট্রেলিয়ায় পেশাগত যোগ্যতা অর্জন করেন। তিনি প্রথম শ্রেণির সামুদ্রিক প্রকৌশলী এবং অস্ট্রেলিয়ার সাউদার্ন ক্রস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। 

বাংলাদেশে শিক্ষাজীবন শুরু করে সামুদ্রিক প্রকৌশল ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ খাতে অস্ট্রেলিয়ায় পেশাগত অবস্থান তৈরি করা এই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পেশাজীবীর নেতৃত্বে দেশের মাটিতে এত বড় একটি সামুদ্রিক অবকাঠামো প্রকল্পের উদ্যোগকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রকল্পটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এর জন্য সরকারের ওপর কোনো ঋণের দায় সৃষ্টি না করে সম্পূর্ণ বেসরকারি অর্থায়নে অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের এই ব্যবস্থায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত ২০০ একর জমি ও বিদ্যমান স্থায়ী সম্পদের মালিকানা ধরে রাখবে। 

প্রকল্পের আওতায় নির্মিত অবকাঠামোও নির্ধারিত মেয়াদ শেষে রাষ্ট্রের মালিকানায় ফিরে যাবে। ফলে রাষ্ট্রীয় সম্পদের মালিকানা অক্ষুণ্ন রেখেই বেসরকারি মূলধন, প্রযুক্তি ও ব্যবস্থাপনা দক্ষতা কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হবে।

প্রকল্পের পরিধি অত্যন্ত বড়। পরিকল্পনা অনুযায়ী এখানে নির্মিত হবে দুটি বৃহৎ শুষ্ক ডক। প্রথমটির দৈর্ঘ্য হবে ৬০০ মিটার এবং প্রস্থ ৯৫ মিটার। দ্বিতীয়টির দৈর্ঘ্য হবে ৪৬০ মিটার এবং প্রস্থ ৮৫ মিটার। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে জাহাজ নির্মাণ ও মেরামতের চাহিদা বাড়লে তৃতীয় একটি শুষ্ক ডক নির্মাণের সুযোগও রাখা হচ্ছে। ফলে শুরু থেকেই প্রকল্পটিকে ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের উপযোগী করে পরিকল্পনা করা হয়েছে।

শুধু দুটি শুষ্ক ডক নির্মাণেই প্রকল্পটি সীমাবদ্ধ থাকবে না। এর আওতায় থাকবে জাহাজ মেরামতের ঘাট, ভবিষ্যৎ জাহাজ নির্মাণের ঘাট, জাহাজের বিভিন্ন কাঠামো ও যন্ত্রাংশ তৈরির কারখানা, পাইপ ও যান্ত্রিক কাজের কারখানা, বৈদ্যুতিক ও স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার কারখানা, গুদাম, ভারী যন্ত্রপাতি উত্তোলন ও স্থানান্তরের সুবিধা এবং প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ, পানি ও অন্যান্য সহায়ক অবকাঠামো। 

পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষার জন্য আধুনিক সবুজ ব্যবস্থাও স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে মাতারবাড়ীর এই স্থাপনাটি ধাপে ধাপে একটি পূর্ণাঙ্গ জাহাজ নির্মাণ, মেরামত ও সামুদ্রিক প্রকৌশলকেন্দ্রে পরিণত হওয়ার সুযোগ তৈরি করবে।

প্রথম ৬০০ মিটার দীর্ঘ শুষ্ক ডকটি বড় আকারের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হবে। এতে বড় জাহাজের মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ ও জরুরি সংস্কারের সুবিধা থাকবে। দ্বিতীয় ৪৬০ মিটার দীর্ঘ শুষ্ক ডক যুক্ত হওয়ায় একই সময়ে একাধিক বড় জাহাজের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের সক্ষমতা তৈরি হবে। ভবিষ্যতে তৃতীয় ডক নির্মাণের সুযোগ থাকায় জাহাজ মেরামত ও নির্মাণের চাহিদা বাড়লেও স্থাপনাটির সম্প্রসারণ সম্ভব হবে।

বর্তমানে বড় ধরনের মেরামতের জন্য বাংলাদেশের জাহাজগুলোকে সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত কিংবা চীনের মতো দেশে যেতে হয়। মাতারবাড়ীতে আন্তর্জাতিক মানের মেরামত সুবিধা চালু হলে বিদেশে জাহাজ পাঠানোর প্রয়োজন কমবে। এতে জাহাজ মেরামতের সময় কমার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং দেশের বন্দর ও সমুদ্রপথের নিরাপত্তা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ছাড়াও দেশের অন্যান্য বন্দর এবং বঙ্গোপসাগরে চলাচলকারী বড় বাণিজ্যিক জাহাজ এই সুবিধা ব্যবহার করতে পারবে।

প্রস্তাবিত স্থাপনাটিকে বাংলাদেশের প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক সবুজ জাহাজকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে কম নিঃসরণকারী শক্তি ব্যবস্থা, ব্যবহৃত পানি পুনঃপরিশোধন এবং বিপজ্জনক রাসায়নিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিক ব্যবস্থা থাকবে। প্রকল্পটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার শূন্য-নিঃসরণ কাঠামো ও সবুজ সমুদ্রযাত্রা কর্মসূচি এবং সংশ্লিষ্ট পরিবেশগত মানদণ্ড অনুসরণ করে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে।

পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থার পাশাপাশি জাহাজ নির্মাণ ও মেরামতের বিভিন্ন কার্যক্রম একই স্থাপনার আওতায় আনার পরিকল্পনা প্রকল্পটিকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। জাহাজের কাঠামো ও যন্ত্রাংশ তৈরি থেকে শুরু করে পাইপ, যান্ত্রিক ও বৈদ্যুতিক কাজ, গুদামজাতকরণ এবং ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবস্থাপনা—সবকিছুর জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে দেশীয় প্রকৌশল ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন ব্যবসা, সরবরাহ ও সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সরাসরি ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ জন দক্ষ প্রকৌশলী ও কারিগরি কর্মীর কর্মসংস্থান হবে বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর বাইরে আরও প্রায় ২ হাজার ৬০০ জনের পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে। অর্থাৎ সব মিলিয়ে প্রায় ৩ হাজার ৯০০ মানুষের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা রয়েছে। স্থানীয় প্রকৌশল, ইস্পাত উৎপাদন, পরিবহন, পণ্য সরবরাহ, যন্ত্রাংশ উৎপাদন এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি সামুদ্রিক ব্যবসার সম্প্রসারণের সুযোগও তৈরি হবে।

মাতারবাড়ীর এই আধুনিক জাহাজকেন্দ্রে বাণিজ্যিক জাহাজের পাশাপাশি বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের জাহাজও আন্তর্জাতিক মানের মেরামত সুবিধা পাবে। এর ফলে দেশের গুরুত্বপূর্ণ নৌযানগুলোর বড় ধরনের মেরামতের ক্ষেত্রে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরতা কমানোর সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে দেশের প্রতিরক্ষা ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা সক্ষমতার জন্যও এটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক অবকাঠামো হয়ে উঠতে পারে।

মহেশখালী ও মাতারবাড়ী এলাকায় যে শিল্প, জ্বালানি, বন্দর ও পরিবহনকেন্দ্রিক বৃহৎ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গড়ে উঠছে, তার সঙ্গেও এই প্রকল্পের সরাসরি যোগসূত্র তৈরি হবে। গভীর সমুদ্রবন্দরকে ঘিরে শিল্প ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জাহাজ নির্মাণ, মেরামত ও সামুদ্রিক প্রকৌশলসেবার চাহিদাও বাড়বে। প্রস্তাবিত জাহাজকেন্দ্রকে তাই ওই বৃহত্তর শিল্প ও বন্দরাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক অবকাঠামো হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

তবে প্রায় ১২ হাজার ২০০ কোটি টাকার এই বৃহৎ বিনিয়োগ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। এত বড় বৈদেশিক বিনিয়োগের সঙ্গে দেশের সামুদ্রিক শিল্প, কর্মসংস্থান, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং বন্দরভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ জড়িত। ফলে প্রকল্পটির কারিগরি ও আর্থিক মূল্যায়ন নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করা এবং অনুমোদন ও বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। 

কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী যদি প্রকল্পটির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় অযাচিত প্রভাব বিস্তার বা প্রতিবন্ধকতা তৈরির চেষ্টা করে থাকে, তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় স্বার্থে এত বড় বৈদেশিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত প্রধান বিবেচনা।

প্রকল্পটির নীতিগত অনুমোদনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সমন্বয় হয়েছে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় স্বতঃপ্রণোদিত প্রস্তাবটির নীতিগত অনুমোদন দিয়ে পরবর্তী পর্যালোচনার জন্য সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছে। উচ্চপর্যায়ের আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের পর শিল্প মন্ত্রণালয়ও প্রকল্পটির বিষয়ে অনাপত্তি দিয়েছে।

এখন প্রকল্পটির কারিগরি ও আর্থিক মূল্যায়ন চলছে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব কর্তৃপক্ষের অধীনে। এই মূল্যায়নের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রকল্পটির পরবর্তী বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে।

মাতারবাড়ীতে প্রায় ১২ হাজার ২০০ কোটি টাকার এই বেসরকারি বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের সামুদ্রিক শিল্পে একটি বড় পরিবর্তনের ভিত্তি তৈরি হতে পারে। দুটি বৃহৎ শুষ্ক ডক, ভবিষ্যতে তৃতীয় ডক নির্মাণের সুযোগ, জাহাজ নির্মাণ ও মেরামতের পৃথক ঘাট, যন্ত্রাংশ ও কাঠামো তৈরির কারখানা, যান্ত্রিক ও বৈদ্যুতিক কাজের অবকাঠামো এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি—সব মিলিয়ে এটি দেশের সামুদ্রিক শিল্পের জন্য একটি বড় অবকাঠামোগত সংযোজন হতে যাচ্ছে। বিদেশে জাহাজ মেরামতের ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি দক্ষ কর্মসংস্থান, দেশীয় শিল্পের সম্প্রসারণ, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

সব মিলিয়ে, মাতারবাড়ী শুধু একটি গভীর সমুদ্রবন্দর নয়—এই বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে এটি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ, জাহাজ মেরামত, সামুদ্রিক প্রকৌশল ও নৌ-শিল্পের অন্যতম প্রধান কেন্দ্রে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। আর বাংলাদেশের মাটিতে জন্ম নেওয়া একজন আন্তর্জাতিকভাবে প্রশিক্ষিত সামুদ্রিক প্রকৌশলীর নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ার বেসরকারি বিনিয়োগে এমন একটি বৃহৎ শিল্প অবকাঠামো গড়ে ওঠার উদ্যোগ দেশের সামুদ্রিক অর্থনীতির জন্য একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে।

আরবিএস
মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর পরিচালনায় আগ্রহ দেখিয়েছে সৌদি মালিকানাধীন বন্দর কোম্পানি রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল।
মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে জাপান সরকারের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা–জাইকা আরও ১৫০ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দিচ্ছে। শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি সম্মেলন...
স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পরও বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত ও কোটামুক্ত সুবিধা প্রদানের সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। মঙ্গলবার (১ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক...
বাংলাদেশের সরকারি কেনাকাটার তথ্য সবার জন্য উন্মুক্ত ওয়েবসাইটে প্রকাশ করার তাগিদ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অংশীদারীত্ব বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তি ও জ্ঞান বিনিময়ে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন...
বন্দরসীমা, বহির্নোঙরে জাহাজের নিরাপত্তা, অননুমোদিত নৌযান চলাচল এবং অবৈধভাবে মাছ ধরার জাল স্থাপনের ফলে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল ব্যাহত ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ৭২৩ জন ডেঙ্গুরোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর