মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
এর আগে গতকাল সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন ইশরাক হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে নিজের সাম্প্রতিক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, গেন্ডারিয়ার ওই ঘটনার দিন কেবল নিজের ও সহকর্মীদের আত্মরক্ষার স্বার্থেই আমি সাময়িকভাবে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিলাম। আইনগতভাবে আমি কোনো নিয়ম কিংবা বিধিমালা লঙ্ঘন করিনি। তবে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দলের উচ্চ ভাবমূর্তি ও মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখার প্রতি সম্মান জানিয়ে আমি স্বেচ্ছায় প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
মন্ত্রিত্বের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিলেও মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন থমকে যাবে না বলে দৃঢ়তার সাথে জানান তিনি। ইশরাক হোসেন ঘোষণা দেন, একজন সাধারণ রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে রাজপথে থেকে মাদকের বিরুদ্ধে তাঁর কঠোর লড়াই এবং উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন আহমেদ আযম খান, আর সেখানেই প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন ইশরাক হোসেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, সোমবার সন্ধ্যার দিকে পদত্যাগপত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেন ইশরাক। নিয়ম ও প্রশাসনিক বিধি অনুসরণ করে লিখিত আবেদনটি প্রথমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিকট এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়।
রাষ্ট্রপতি পদত্যাগপত্রটি স্বাক্ষরপূর্বক গ্রহণ করার পর মঙ্গলবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে এর আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হলো।
