সব শঙ্কা ও গুঞ্জনকে পাশ কাটিয়ে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হয়েছে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ। সকাল থেকে কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি ছিলো লক্ষণীয়।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল আটটা থেকে বিরতিহীনভাবে বিকেল চারটা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলে। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কেন্দ্রগুলোর গেট বন্ধ করা হয়।
দিনভর কিছুটা শীতের আমেজ ও প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে ভোটাররা দলে দলে নিজ নিজ কেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এ সময় অধিকাংশ কেন্দ্রেই পুরুষ ভোটারের তুলনায় নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল অনেক বেশি। পাশাপাশি, প্রার্থীদের জয়-পরাজয়ের সমীকরণে বড়ো ভূমিকা রাখা সনাতন ধর্মাবলম্বী ভোটারদের উপস্থিতি ও অংশগ্রহণও ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রার্থীরাও নিজ নিজ কেন্দ্রে ভোট প্রদান শেষে জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলামের ছেড়ে দেওয়া শূন্য এই সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক প্রস্তুতি ও কড়া নজরদারি ছিল। বিশেষ করে ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়, যা পুরো নির্বাচনকালীন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
নির্বাচন নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, কোথাও কোনো বড়ো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা সহিংসতা ছাড়াই সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঠাকুরগাঁওয়ের মতো আগামীতেও সব নির্বাচন এভাবে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে উপহার দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।
