জাপানের টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসে উদযাপিত হয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২৪।
এ উপলক্ষে দূতাবাসে রোববার সকালে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে জাপানে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি, আমন্ত্রিত জাপানি অতিথি এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সব তথ্য জানানো হয়।
পরে জাতীয় সংগীতের সাথে সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমদ।
আলোচনা সভার আগে জাতির পিতা ও তার পরিবারের শহীদ সদস্য, মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনা এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
এরপর জাতির পিতার ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।
রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমদ বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, জাতির পিতার নেতৃত্বে দীর্ঘ আন্দোলন ও রক্তক্ষয়ী মুক্তিসংগ্রামের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্ম হয়। রাষ্ট্রদূত শিশু অধিকার রক্ষা ও শিশুস্বার্থ সংরক্ষণে বঙ্গবন্ধুর গৃহীত পদক্ষেপগুলো তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশে গঠনে আজকের শিশুরাই হবে দিক নির্দেশক। তিনি এর জন্য শিশুদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়ে তুলতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে উম্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন জাপানি অতিথি ও প্রবাসী বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতারা।
আলোচনা সভার পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২৪ উপলক্ষে বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃক আয়োজিত চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। গত ১৬ মার্চ দূতাবাসে জাপানে বসবাসরত বাংলাদেশি শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এরপর জাতির পিতার জীবন ও কর্মের উপর একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
