যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিবাদ সমাবেশে মারামারি ও হেনস্তার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের ভাষণকে কেন্দ্র করে সেখানে বিএনপি, এনসিপি, জামায়াত ও আওয়ামী লীগের কর্মীরা হাজারো নেতাকর্মী উপস্থিত হয়েছিলেন।
জাতিসংঘের সদর দপ্তরের সামনে তিনটি বড় রাস্তার দুই পাশে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের উপস্থিতি। মাঝখানের জায়গায় ছিল ইসরাইল বিরোধী আন্দোলন। সংঘর্ষ এড়াতেই এভাবে অনুমতি দিয়েছিল নিউইয়র্ক সিটি কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তারপরও শেষ রক্ষা হয়নি।
স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে ভার্জিনিয়া স্টেট আওয়ামী লীগের সভাপতি জি আই রাসেল ভুলক্রমে ডক্টর ইউনুসের ছবি সংবলিত ডাস্টবিন নিয়ে বিএনপি'র সমাবেশ স্থলে উপস্থিত হয়ে যান। তারপর বিএনপি, জামাত শিবির, এবং এনসিপির সদস্যরা তাকে গণধোলাই দিয়ে তাড়িয়ে দেন।
এ সময় নিউইর্য়ক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্টের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে সরিয়ে নেন। এই ঘটনায় কেউ গ্রেপ্তার হননি। নিউইয়র্ক পুলিশ আওয়ামী লীগের এই নেতাকে নিয়ে যান। এ ঘটনায় কেউ গ্রেপ্তার হননি।
এর এক ঘণ্টা পরেই যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির বিক্ষুব্ধ কয়েকজন নেতা-কর্মী বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খোকনকে হেনস্তা করেন। বিক্ষুব্ধরা ‘ভুয়া ভুয়া’ বলে আনোয়ার হোসেনকে সেখান থেকে সরিয়ে দেন। পরে পুলিশ এসে বিএনপি নেতা-কর্মীদের সরিয়ে দেয়।
বেলা আড়াইটার দিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক নেতাকে মারধরের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির এক কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার নাম রিয়াজ রহমান হোসাইন। মারধরের শিকার ছাত্রলীগ নেতার নাম হৃদয় মিয়া।
জাতিসংঘের সামনে রাজনৈতিক দলগুলো ছাড়াও সনাতন ধর্মাবলম্বীরা এসেছিলেন তাদের দাবি নিয়ে। ছিল সাংস্কৃতিক কর্মীদের প্রতিবাদ সমাবেশ। হামলাসহ এ ধরনের উচ্ছৃঙ্খল আচরণে বাংলাদেশের মানহানি ঘটছে। তাই এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি আর দেখতে চান না বলে জানান যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীরা।
ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন: জাতিসংঘে প্রধান উপদেষ্টা
নেতানিয়াহুর বক্তব্যের সময় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের উপস্থিতি নিয়ে গুজব