সব সঞ্চয়পত্রে প্রতি মাসে মুনাফা দেওয়ার প্রস্তাব

আপডেট : ০৪ জানুয়ারি ২০২৩, ০৪:৪৮ পিএম

বর্তমানে দেশে সঞ্চয়পত্র চালু আছে চার ধরনের। এর মধ্যে শুধু ‘পরিবার’ সঞ্চয়পত্রের মুনাফা দেওয়া হয় প্রতি মাস অন্তর। বাকি তিনটি সঞ্চয়পত্রের মুনাফা দেওয়া হয় প্রতি তিন মাস অন্তর।

তিন মাস অন্তর যেসব সঞ্চয়পত্রের মুনাফা দেওয়া হচ্ছে, (তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র, পেনশন সঞ্চয়পত্র, পাঁচ বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্র এবং পরিবার সঞ্চয়পত্র) সেগুলো প্রতিমাসে দেওয়ার জন্য প্রস্তাব করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে পাঠিয়েছে জাতীয় সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তর।

সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তরের পাঠানো ওই প্রস্তাবে বহুল প্রচলিত ‘পেনশন সঞ্চয়পত্র’ ক্রয়সীমা ৫০ লাখ থেকে বাড়িয়ে এক কোটি টাকা করার কথাও বলা হয়েছে।

এছাড়া ‘পরিবার সঞ্চয়পত্রে’ পুরুষ ক্রেতার বয়সসীমা ৬৫ থেকে ৫০ বছরে নামিয়ে আনার কথাও বলা হয়েছে। এতে বেশি সংখ্যক পুরুষ পরিবার সঞ্চয়পত্র কেনার আওতায় আসতে পারবেন।

অপরদিকে ‘বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে’ যাতে বেশি সংখ্যক প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করতে পারে, এ লক্ষ্যে বিদ্যমান ক্ষেত্রগুলো পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে।

জাতীয় সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক মো. শাহ আলম গণমাধ্যমকে বলেন, পেনশন সঞ্চয়পত্র কেনার সিলিং এবং পরিবার সঞ্চয়পত্র কেনার (পুরুষ ক্রেতা) বয়স কমানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এখন মন্ত্রণালয় এবং সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। সেখান থেকে অনুমোদন করলে তা কার্যকর হবে।

তিনি আরো বলেন, তিন মাস অন্তর যেসব সঞ্চয়পত্রের মুনাফা দেওয়া হচ্ছে, সেগুলো প্রতিমাসে দেওয়ার জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে।

বর্তমানে পরিবার সঞ্চয়পত্র ১০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকার কেনা যায়। কোন নাগরিকের বয়স ১৮ বা এর বেশি, মহিলা, শারীরিক প্রতিবন্ধী পুরুষ ও মহিলা এবং ৬৫ বছর ও তার বেশি পুরুষ ও মহিলা এটি কিনতে পারেন।

পেনশন সঞ্চয়পত্রের ক্রয়সীমা ৫০ লাখ টাকা ছিল। এখন এটিই কোটি টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, পেনশন সঞ্চয়পত্র কেনার সিলিং যখন নির্ধারণ করা হয়, ওই সময় সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতার অঙ্ক কম ছিল। এরপর ২০০৯ এবং ২০১৫ সালে চাকরিজীবীদের দুটি পে-স্কেল দিয়েছে সরকার।

এখন একজন দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা অবসরে গেলে আনুতোষিক ৫০ লাখ টাকার ওপরে পাচ্ছেন। এর সঙ্গে ভবিষ্যৎ তহবিল যোগ করলে তা এক কোটি টাকার বেশি হচ্ছে। কিন্তু পেনশন সঞ্চয়পত্র কেনার সিলিং কম থাকায় অবসরে যাওয়া চাকরিজীবীরা পেনশনের পুরো টাকা দিয়ে ইচ্ছা থাকলেও এ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারছেন না।

আরও পড়ুন: মন্ত্রণালয় দপ্তর সংস্থার সমন্বয় মূল দায়িত্ব: কেবিনেট সচিব

এছাড়া একজন চাকরিজীবী অবসরে গেলে তার বেতন ৬৫ শতাংশ কমে যায়। যিনি ৩০ হাজার টাকা বেতন পেয়েছেন, পেনশনে গেলে পরের মাস থেকে পাবেন ১৩ হাজার ৫০০ টাকা। তার ঘাটতি মেটানোর কোনো সুযোগ থাকে না। অথচ এ সময়ে তার খরচও কমছে না।

উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরে (২০২২-২৩) ৩৫ হাজার কোটি টাকা সঞ্চয়পত্র বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। আগের অর্থবছরে বিক্রি করা হয় ৩২ হাজার কোটি টাকা।


একাত্তর/আরএ

গত বছরের ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের শুরুতেও শক্তিশালী আর্থিক অবস্থান ধরে রেখেছে রবি আজিয়াটা পিএলসি। ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ৯.২% মার্জিনসহ ২৩২.৩ কোটি টাকা কর-পরবর্তী মুনাফা...
নানামুখী সমালোচনা ও মধ্যবিত্ত মানুষের অসন্তোষের মুখে অবশেষে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়াল সরকার। সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত বাতিল করে আগের মুনাফার হার বহাল...
সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারীদের সাধারণ ভবিষ্য তহবিল (জিপিএফ) ও প্রদেয় ভবিষ্য তহবিলে (সিপিএফ) টাকা জমা রাখার বিপরীতে মুনাফা হার গত অর্থবছরের মতই ১১ থেকে ১৩ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। 
বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি)। নতুন মুনাফার হারে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাবেন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
নুহাশপল্লীর সবুজ নিস্তব্ধতায় ভোরের আলো ফোটার পর থেকেই সমাধি প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে। শ্বেতপাথরের সমাধিটি ভরে যায় ভক্তদের আনা ভালোবাসার অর্ঘ্যে। কারো হাতে ছিল প্রিয় লেখকের প্রিয় ফুল, কারো হাতে তার...
স্পেন ফুটবল দলের জন্য বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছানোটা এখনও বেশ নতুন একটা অনুভূতি, কারণ ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যাবে তারা এই নিয়ে মাত্র দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বমঞ্চের শেষ লড়াইয়ে পা রেখেছে। তবে দলটির অধিনায়ক...
রাজধানীর কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছিনতাইয়ের সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে শফিক নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। ফাঁসির আদেশের...
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে পড়তে আসা এক শিশুর মুখে বারবার বেত ঢুকিয়ে নির্যাতনের দৃশ্য নিজেই ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন এক মাদ্রাসাশিক্ষক। ভিডিওটির ক্যাপশনে ওই শিক্ষক লেখেন, ‘পিচ্চি...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর