সারাবছর পড়ালেখা না করে পরীক্ষার আগের রাতে বেশি পড়ে ভালো ফলাফল আশা করার মতো করে মুদ্রনীতির ছক কষেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ঘোষিত নতুন মুদ্রনীতি নিয়ে এমনই মন্তব্য করেছেন খোদ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ।
এদিকে ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন এই মুদ্রানীতিতে মুল্যস্ফীতি কমবে না। যদিও ব্যাংকের শীর্ষ নিবার্হীদের নেতা বলছেন, মুদ্রানীতির উদ্যোগগুলো বাজারে টাকার সরবরাহ কমিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করবে।
ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায়,পণ্য আমদানি খরচ বেড়েছে, এরপরও পর্যাপ্ত আমদানি ঋণপত্র খোলা যাচ্ছে না। এদিকে রপ্তানি ও রেমিটেন্স আয় যা আসছে তা দিয়েও লেনদেন ভারসাম্যে ঘাটতি পূরণ হচ্ছে না। তাই রিজার্ভও বাড়ছে না। উচ্চ হারে খেলাপি ঋণের বিপরীতে আমানত প্রবৃদ্ধি সন্তোষজনক না হওয়ায়, তারল্য সংকটে বেশিরভাগ ব্যাংক। সব কিছুর উপরে বড় উদ্বেগ মূল্যস্ফিতি এখন , ১০ শতাংশ ছুইঁ ছুইঁ।
এমন পরিস্থিতিতে ঘোষিত নতুন মুদ্রানীতি দেশে অর্থ প্রবাহে কী প্রভাব ফেলবে? এতে আর্থিক ব্যবস্থাপনার কী নির্দেশনা দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক?
সব ধরণের ঋণের সুদহার বেড়েছে, ফলে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নেয়া ঋণেও বাড়তি সুদ গুণতে হবে ব্যাংকগুলোকে।
তবে এই মুদ্রানীতি চলমান অর্থনৈতিক সংকটে আপাতত স্বস্তি আনবে বলে মনে করছে ব্যাংকারদের শীর্ষ সংগঠন এবিবি
বিনিয়োগকারীরা আবশ্য বলছেন, ভিন্ন কথা। তাদের মতে, ঋণের সুদ হার বাড়ায় উৎপাদন খরচ বেড়ে দিন শেষে ভোক্তার বোঝা বাড়বে। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাংকগুলোও তারল্য সংকট ঠিকভাবে সামলাতে পারবে কি-না এনিয়েও প্রশ্ন আছে এই ব্যবসায়ী নেতার।
এদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ বলছেন, নতুন মুদ্রানীতি বাস্তবতা বিবর্জিত এবং নির্ভরশীলতার নীতি।
তিনি সহ অনেকেই বলছেন, সম্প্রসারণমুলক রাজস্ব নীতির বিপরীতে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির বাস্তবায়ন সফল হবে না।
একাত্তর/এআর
