চলমান সঙ্কটে পারলে একটি ডলারও বাঁচানোর সুযোগ কাজে লাগানোর তাগিদ দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী। রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে এ তাগিদ দেন তিনি। এসময় ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, রুপিতে বাণিজ্য বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে নতুন মাত্রা দিয়েছে। পরে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী স্বীকার করেন, ঘোষণা দিয়েও পেঁয়াজ, ডিম ও আলুর বেঁধে দেয়া দামে বিক্রি করা যাচ্ছে না।
ডলার সংকটে অর্থনীতির ওপর চাপ কমাতে ভারতের সঙ্গে রুপিতে বাণিজ্যিক লেনদেন শুরু করেছে বাংলাদেশ। প্রথমবারের মতো লেনদেন সফল হওয়ায় ইস্টার্ন ব্যাংকের এ আয়োজন।
অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ীরা জানান, রুপিতে বাণিজ্য ভারতে বাংলাদেশের বাণিজ্য বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।
একই প্রত্যাশা ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারেরও। তিনি জানান, উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার পথে বাংলাদেশের বাণিজ্য সহযোগী হিসেবে পাশে থাকবে ভারত।
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, স্থানীয় মুদ্রার এই লেনদেন উভয় দেশের টেকসই দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ককে এগিয়ে নেবে। রপ্তানি যতো বাড়বে, ডলারের ওপর ততো নির্ভরশীলতা কমবে। তাই বাংলাদেশের ব্যাংক ও বিনিয়োগকারীদের আহবান জানাই টাকা ও রুপিতে এ লেনদেন পদ্ধতি আপনারা ছড়িয়ে দিন।
এসময় টিপু মুনশি বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চলমান সংকটের সময়ে একটি ডলার বাঁচানোর যেকোনো সুযোগের সর্বোচ্চ ব্যবহার করা উচিত।
মন্ত্রী বলেন, ডলারের ওপর আমাদের অনেক চাপ পড়ছে। এ অবস্থায় একটা ডলারও যদি আমরা বাঁচাতে পারি, তা আমাদের জন্য কাজে আসবে।
পরে, সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী স্বীকার করেন, খুচরায় কয়েকটি পণ্যের দর বেধে দিয়েও তা কার্যকর করা যাচ্ছেনা। একই সঙ্গে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত দিতে দেরি করায় ডিম আমদানিতে দেরি হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এছাড়াও পণ্য আমদানিতে ডলার নিয়ে ব্যাংকগুলোর কারসাজি রুখতে অর্থ মন্ত্রণালয়কে আরও উদ্যোগী হওয়ার তাগিদও দেন মন্ত্রী।
ডিম আমদানির দেরির কারণ জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী
বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি কমবে, বাড়বে জিডিপি: এডিবি