দেড় মাস বন্ধ থাকার পর, রোববার অফিস খুলতেই রাজধানীর ধানমণ্ডিতে ই-ভ্যালির প্রধান কার্যালয়ে ভিড় করেন গ্রাহকরা।
তারা বলছেন, চটকদার বিজ্ঞাপন আর সাইক্লোনের মতো অফার দিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। নির্ধারিত সময় পার হলেও মিলছেন না পণ্য। আবার পণ্যের পরিবর্তে চেক দিলেও, তা দিয়ে টাকা তুলতে পারছেন না তারা।
চটকদার বিজ্ঞাপন আর নানা অফারের ফাঁদে পা দিয়ে পাঁচ মাস আগে ই-ভ্যালিতে পণ্য কিনতে ৯ লাখ টাকা জমা দিয়েছেন সাব্বির।
কথা ছিলো ৪৫ দিনের মধ্যেই ইয়ামাহা আর ওয়ান ফাইভসহ তিনটি বাইক, ৬টি মোবাইলের মতো ৩০টি পণ্য ডেলিভারি দিবে ই-ভ্যালি।
কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন পণ্যই পাননি তিনি। দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকার পর, রোববার অফিস খোলার পর গ্রাহকদের কাছে সাড়ে তিন মাস সময় চেয়েছে ই-ভ্যালি।
সাব্বিরের মতো যারা ই-ভ্যালিতে এসেছেন তাদের অধিকাংশই চটকদার আর লোভনীয় অফারে মজে মোটর সাইকেল, টিভি, ফ্রিজ ও এসির মতো পণ্যের অর্ডার দিয়েছিলেন। ফেব্রুয়ারি-মার্চে এসব অর্ডার দেয়া হলেও পণ্য হাতে পাননি তারা।
পণ্য দিতে ব্যর্থ হয়ে অনেক গ্রাহককেই চেক দিয়েছিলো ই-ভ্যালি। কিন্তু হিসাবে টাকা না থাকায় ব্যাংক থেকে ফেরত এসেছেন তারা। ভিড় করছেন প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে।
এই মুহূর্তে ই-ভ্যালির দায় ৫৪৪ কোটি টাকা।আর তাদের সম্পদের পরিমাণ মাত্র ১০৫ কোটি টাকা।
একাত্তর/এআর
