আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফের ঋণ এখন বাংলাদেশের জন্য কতটা প্রয়োজন? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রিজার্ভ ও রেমিট্যান্সের ভালো প্রবাহ থাকায় এই ঋণের তেমন প্রয়োজন নেই। তবে ঋণের কারণে আইএমএফের শর্তগুলোকে অর্থনীতির জন্য ভালো বলে মত বিশেষজ্ঞদের। সম্প্রতি ষষ্ঠ কিস্তির টাকা নির্বাচনের পর দেয়ার কথা বলেছে আইএমএফ।
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, নির্বাচিত সরকার এলে তবেই ষষ্ঠ কিস্তির অর্থ ছাড়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে আইএমএফ।
বাংলাদেশের আবেদনে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন করে আইএমএফ। ওই বছরের জুনে মুদ্রা তহবিলের পরিচালনা পর্ষদ এই ঋণ কর্মসূচির মেয়াদ বাড়িয়েছে ছয় মাস এবং বাড়তি ৮০ কোটি ডলার যুক্ত করে। এতে মোট ঋণের আকার দাঁড়ায় ৫৫০ কোটি ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র শাহরিয়ার সিদ্দিকী বলেন, আইএমএফের লোনগুলো বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আসে, ইসিএফ লোন, এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফ্যাসিলিটি এবং আরএসএফ। আমাদের দেশের উন্নয়নের জন্য যেগুলো দরকার সে ধরনের কিছু বিষয় এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আমরা সেগুলো নিয়ে কাজ করছি।
২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হয়ে এখন পর্যন্ত পাঁচ কিস্তিতে বাংলাদেশ আইএমএফ থেকে পেয়েছে ৩৬৪ কোটি ডলার। বাকি আছে ১৮৬ কোটি ডলার।

অর্থনীতি বিশ্লেষক ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, এক্ষেত্রে ঋণ পেতে যদি দেরি হয়, সেটিতে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। বরং আমাদের সংস্কারের কাজগুলো যেন অব্যাহত থাকে।
গত ২৯ অক্টোবর ঢাকায় আসা আইএমএফ’র একটি মিশন বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে বৈঠক করছে। ঋণ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ ‘পরিমাণগত কর্মক্ষমতা মানদণ্ড’ কতটা পূরণ করছে, সেটিই মূলত জানতে চাইছে তারা।
ভয়াল ১২ নভেম্বর: উপকূলের মানুষ আজও বয়ে বেড়াচ্ছে সেই দুঃসহ স্মৃতি
ডেনিশ অর্থায়নে লালদিয়া কন্টেইনার টার্মিনাল নির্মাণ, ব্যয় ৬৭০০ কোটি টাকা