ইলিশ আহরণ থেকে শুরু করে বিপণন পর্যন্ত যে খরচ, তাতে করেই ইলিশের দাম বেশি। তবে কঠোর তদারকি করলে দাম সহনশীল পর্যায়ে নামানো সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
রোববার সচিবালয়ে প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, উৎপাদন ও আহরণের সঙ্গে সম্পর্ক থাকলেও বাজার ব্যবস্থাপনায় আমাদের মন্ত্রণালয়ের হাতে নেই। ইলিশের দামের ব্যাপারে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের করণীয় কিছু নেই।
মন্ত্রণালয় নিজ কাজের দায় কোনোভাবেই এড়ায় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, মুক্তবাজার অর্থনীতিতে দাম নির্ধারণ করা যায় না। তবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত কাজে আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি নেই।
তিনি বলেন, সার্বিক কাজ তো এই মন্ত্রণালয় একা করে না। এর সঙ্গে আরও অনেকেই যুক্ত। বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) থেকে দুই নভেম্বর পর্যন্ত উপকূলীয় ইলিশ প্রজননক্ষেত্রের অন্তর্গত সাত হাজার ৩৪২ দশমিক পাঁচ আট বর্গকিলোমিটার এলাকাসহ দেশব্যাপী ইলিশ আহরণ, পরিবহণ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ ও বিনিময় নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, এ সময় দেশের ইলিশসমৃদ্ধ ৩৭ জেলার ১৫৫ উপজেলায় মোট পাঁচ লাখ ৫৪ হাজার ৮৮৭ জেলে পরিবারকে ২৫ কেজি হারে মোট ১৩ হাজার ৮৭২ দশমিক ১৮ মেট্রিক টন খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
২২ দিন ইলিশ ধরা, কেনা-বেচা ও মজুদ বন্ধ