ওয়াসার পানির সংকটে ভোগান্তিতে কাটছে হাজারিবাগের হাজারও মানুষের দিন। এলাকাবাসীর দাবি বছরের পর বছর এই এলাকায় পানির সংকট চলছে। কিন্তু সমস্যা সমাধানে কোনো কর্তৃপক্ষই উদ্যোগী হচ্ছে না। শুধু ওয়াসার পানির সংকটই নয়। এই এলাকায় ভোগান্তি আছে তিতাসের গ্যাস পাওয়া নিয়েও। বাড়িওয়ালারা বলছেন, গ্যাস পানির সংকটে বাসা ছেড়ে যাচ্ছে ভাড়াটিয়ারা।
হাজারিবাগের তল্লাবাগের শত বছর বয়সী হাজী মফিজুল ইসলামল। ১৯৫৫ সাল থেকে এই এলাকায় তার বসবাস। গেলো কয়েক বছর ধরে পানির সমস্যা নিয়েই তাদের বসবাস।
এলাকাবাসি বলছেন, গেলো তিন চার বছর ধরেই এখানে ওয়াসার পানির সেবা থেকে তারা বঞ্চিত।যদিও মাস গেলেই গুনতে হয় বিল। উপায় না পেয়ে অনেকেই নিজ উদ্যোগে বাড়ির আঙিনায় সাবমারসিবল পাম্প বসিয়ে সমাধানের পথ খুঁজছেন।
তারা আরও বলছেন, ধানমন্ডির মত অভিজাত এলাকার বাসিন্দা হলেও তাদের সংকট সমাধান উদ্যোগী নয় কোনো কর্তৃপক্ষ।
গেলো কয়েকদিনে সংকট এতটাই প্রকট হয়েছে যে অনেক ভাড়াটিয়াই আর থাকতে চাইছে না।
পানির সংকটের কথা স্বীকার করে কাউন্সিলর বলছেন,এই দুর্ভোগ কমাতে অনেকদিন ধরেই তিনি চেষ্টা করছেন। ওয়াসার পাম্প বসানোর জায়গা না থাকায় সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা যাচ্ছে না।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ১৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ইলিয়াছুর রহমান বাবুল বলেন, একটি পানির পাম্পের জায়গার দাম হলো দুই কোটি টাকা। তাহলে এই দুই কোটি টাকার জায়গা কে দিবে? সরকারের কোনো খাস জায়গা আমাদের এলাকায় নেই। পদ্মা থেকে যে পানির যতক্ষণ পর্যন্ত লাইন না আসবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পানির সমস্যা থাকবে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটির এই ওয়ার্ডে বসবাস করেন পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষ। তাদের দাবি এখনই সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ না নিলে শীত মওসুমে মানুষের দুর্ভোগ বাড়বে আরও বহুগুণ।
