রাজধানীর পৃথক ঘটনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চারজনের মৃত্যু। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে রাতের বিভিন্ন সময়ে দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
মৃতরা হলেন, পল্লবীর কাঠ মিস্ত্রি রাসেল দাস (২৭) ও তার সহকারী আলাউদ্দিন (১৭), ভাষানটেকের নির্মাণ শ্রমিক আব্দুর নূর (৩৫) ও কোতোয়ালিতে রং মিস্ত্রি আইউব আলী (৪৫)।
পুলিশ মরদেহগুলো উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
পল্লবীর মৃত রাসেল দাসের ভায়রা সুমন দাস বলেন, রাসেল বাউনিয়া আজিজ মার্কেটে খাদিজা ফার্নিচারের কারখানায় কাঠ মিস্ত্রির কাজ করতেন। শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে প্রবল বৃষ্টিতে কারখানাটিতে পানি ঢোকে। পরে, সেখানে ফার্নিচার ডিজাইনের একটি ভারী মেশিন পানিতে ভিজে যেতে দেখে রাসেল ও আলাউদ্দিন সেটি সরাতে যায়। এসময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দু’জনেরই মৃত্যু হয়।
পল্লবী থানার এসআই আব্দুল আজিজ জানান, মৃত রাসেল দাস চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার রতন দাসের ছেলে। বর্তমানে বাউনিয়াবাদ আজিজ মার্কেট এলাকায় পরিবারের সাথে থাকতেন তিনি। এক ছেলের জনক ছিলেন তিনি।
মৃত আলাউদ্দিন ময়মনসিংহ তারাকান্দা উপজেলার বাচ্চু মিয়ার ছেলে।
অন্যদিকে কোতোয়ালি থানার এসআই রাজীব ঢালী জানান, সিএমএম আদালতের পাশে আগরবাতি গলি দিয়ে যাওয়ার পথে সেখান জমে থাকা বৃষ্টির পানি থেকে বাঁচতে পাশের খুঁটি ধরতে যান মো. আইয়ুব আলী। সে সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তার মৃত্যু হয়।
মৃত আইউব আলী পিরোজপুর নাজিরপুর উপজেলার তারাবুনিয়া গ্রামের মৃত বেলায়েত শেখের ছেলে। বর্তমানে সূত্রাপুর মথমার গলিতে পরিবারের সাথে ভাড়া বাসায় থাকতেন তিনি।
এছাড়া উত্তর ভাষানটেকে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রাজমিস্ত্রি আব্দুর নূর (৩৫) মৃত্যু হয়েছে। ভাষানটেক থানার এসআই প্রণয় কৃষ্ণ মন্ডল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আব্দুর নূর সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার ফাজিলপুর গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে। তিনি বর্তমান উত্তর ভাষানটেক পরিবার নিয়ে থাকতেন।
সপ্তাহ জুড়ে থাকবে যানজট, কিন্তু কেন