বিচারপতি খায়রুল হকের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ

আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০২৪, ০৬:১১ পিএম

সাবেক প্রধান বিচারপতি ও আইন কমিশনের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান খায়রুল হকের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে আদালতে মামলার আবেদন খারিজ হয়েছে।

রোববার মামলার আবেদনের শুনানি নিয়ে তা খারিজ করে দেন ঢাকা মহানগর হাকিম দিলরুবা আফরোজ তিথি।

রোববার ইমরুল হাসান নামে এক আইনজীবী এই আবেদন করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড শেষে খারিজ করে দেন আদালত।

আদালতের পেশকার আশুতোষ ভৌমিক বলেন, বিচারপতি খায়রুল হকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ঢাকার অন্য মহানগর হাকিমের এখতিয়ারাধীন হওয়ায় জবানবন্দি নিয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৩ ধারায় মামলার আবেদন খারিজ করেছেন বিচারক।

২০০৬ সালে রাজনৈতিক সঙ্কটের প্রেক্ষাপটে জরুরি অবস্থা জারির পর গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুই বছর ক্ষমতায় থাকার পর এ পদ্ধতির দুর্বলতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

ত্রয়োদশ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে অ্যাডভোকেট এম সলিম উল্লাহসহ কয়েকজনের রিট আবেদনে ২০০৪ সালে হাইকোর্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বৈধ বলে ঘোষণা করে।

মামলার আবেদনে বলা হয়, ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যায় রিট আবেদনকারী পক্ষ। ২০১০ সালের ১ মার্চ আপিল বিভাগে এর শুনানি শুরু হয়। শুনানিতে আপিল আবেদনকারী এবং রাষ্ট্রপক্ষ ছাড়াও অ্যামিকাস হিসেবে শীর্ষস্থানীয় আট জন আইনজীবী বক্তব্য দিয়েছিলেন।

তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল রাখার পক্ষে মত দেন। এমনকি তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমও এর পক্ষে মত দেন।

আপিল বিভাগের সাত জন সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতিদের মতামতের ভিত্তিতে রায়ের জন্য দিন ঠিক হলে ছয় বিচারপতির তিনজনই অ্যামিকাস কিউরিদের পক্ষে একমত হন। অপর তিন বিচারপতি ভিন্ন মত তুলে ধরেন।

এ পরিস্থিতিতে প্রধান বিচারপতি হিসেবে এ বি এম খায়রুল হকের হাতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ছিলো। তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে রায় দেন।

মামলার আবেদনে বলা হয়, ২০১১ সালের ১০ মে সুপ্রিম কোর্টের ঘোষিত রায়ে দুই মেয়াদ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল রাখার পথ খোলা ছিলো। কিন্তু রাজনৈতিক অঙ্গনসহ জনমনে অসন্তুষ্টি দেখা দেওয়ায় তিনি রায়ে স্বাক্ষর না করে নথি নিজ জিম্মায় বাসায় নিয়ে যান।

২০১২ সালের ১৭ মে খায়রুল অবসর গ্রহণ করেন। রায় দেওয়ার ১৬ মাস তিন দিন পর পরে ২০১২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়।

ত্রয়োদশ সংশোধনী মামলায় ঘোষিত রায়ে সুপ্রিম কোর্ট দুই মেয়াদ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল রাখার পথ খোলা রেখেছিল দাবি করে আবেদনে বলা হয়, কিন্তু প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক অবসরে গিয়ে রায় ঘোষণার ১৬ মাস ৩ দিন পর যে রায় প্রকাশ করলেন, সেখানে তিনি এ অংশটি রাখেননি।

মামলার আবেদনে বলা হয়, অসাধুভাবে প্রধান বিচারপতির পদ ব্যবহার করে প্রতারণামূলকভাবে বিশ্বাসভঙ্গ ও জালিয়াতির মাধ্যমে এ রায় প্রদান করেন।

এ বি এম খায়রুল হক ২০১০ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৩ সালের ২৩ জুলাই তাকে তিন বছরের জন্য আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ওই মেয়াদ শেষে কয়েক দফা কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে তাকে পুনর্নিয়োগ দেওয়া হয়।

কেএসএইচ
ঢাকার হাতিরঝিল এলাকায় দীপ্ত টেলিভিশনের সম্প্রচার কর্মকর্তা তানজিল জাহান তামিম হত্যা মামলায় সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমসহ ৯ আসামিকে নতুন করে সম্পৃক্ত করার রিভিশন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।...
মালয়েশিয়াতে লোক পাঠানোর নামে সিন্ডিকেট, হয়রানি ও চরম অব্যবস্থাপনার অভিযোগে ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিলের যে সিদ্ধান্ত সরকার নিয়েছিলো, তা-ই বহাল থাকছে। হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ...
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে আপস-মীমাংসা হয়েছে। মামলার আসামি সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম...
আদালতের বাজেয়াপ্ত করা মাদক ধ্বংস করার যার দায়িত্ব, তিনিই আবার সেই ইয়াবার চালান পকেটে নিয়ে ঘুরছিলেন বিক্রির উদ্দেশ্যে! ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের আলামত নিষ্পত্তি বা মাদক...
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেছেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মূল স্তম্ভ গণমাধ্যম। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় গণমাধ্যমের সব থেকে বেশি ইতিবাচক ভূমিকা রাখার সুযোগ আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মিডিয়া যদি...
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা শেষে সরকার ও দলের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখতেই পদ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন সদ্য সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য...
নিজ নির্বাচনী এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রকাশ্যে ব্যক্তিগত আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন ও মহড়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট দেশব্যাপী তোলপাড় ও সমালোচনার মুখে অবশেষে পদত্যাগ করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক...
সৌদি আরবে সম্প্রতি দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়ায় কূটনৈতিক তথ্য আদান-প্রদানে মারাত্মক ঘাটতি থাকার কথা জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ঘটনাটিকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও হতাশাজনক...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর