টাকা থাকলেই কারাগারে পাওয়া যায় বিশেষ সুবিধা, হাত বাড়লে মাদকও সেখানে সহজলভ্য। অথচ সাধারণ কয়েদিদের কাটাতে হয় মানবেতর জীবন। ‘কারা সংস্কার’ আলোচনায় এমন অভিযোগ করেছেন বক্তারা।
অভিযোগ স্বীকার করে কারা মহাপরিদর্শক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মোহাম্মদ মোতাহের হোসেন জানালেন, মন্ত্রণালয় ও রাজনীতিবিদদের প্রভাব এর জন্য দায়ী।
বিশেষজ্ঞদের মত, ঔপনিবেশিক আমলের বিধানে চলছে কারাগারগুলো; প্রয়োজন সংস্কার, নতুন কারা আইন।
শনিবার ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের উদ্যোগে কারা সদর দপ্তরে আয়োজন করা হয় ‘কারা সংস্কার’ বিষয়ক কর্মশালার।
এতে অংশ নিয়ে কারাগারকে যুগোপযোগী ও মানবিক করে তুলতে সংস্কার প্রস্তাব করেন বক্তারা। উঠে আসে কারা জীবনের অভিজ্ঞতা, কারাগারের দুর্নীতি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অনিয়মের চিত্র।
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির বলেন, আমাদেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, আমরা কারাগারকে কী বন্দি বান্ধব দেখতে চাই না তাদের তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করতে চাই।
দুর্নীতির কথা স্বীকার করে এর জন্য রাজনীতিবিদদের দায়ী করেন কারা মহাপরিদর্শক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মোহাম্মদ মোতাহের হোসেন।

তিনি বলেন, বাইরে থেকে আমাদের ওপর চাপ থাকে। ফলে কারা পরিচালকরা চাইলেই তাদের মতো করে চালাতে পারেন না।
এসময়, কারাবন্দিদের অধিকার বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে আহ্বান জানান হাইকোর্টের বিচারপতি মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস। তিনি বলেন, বেশিরভাগ সময়ই কারাগারে যারা থাকে তারা যে আমাদেরই অংশ তা, আমরা মনে করি না। এটি বিবেচনায় রাখা উচিত।
শিল্প ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেন, কারা আইন সংস্কারে আন্তরিক সরকার।
৪২ হাজারে মতো বন্দী ধারণ ক্ষমতা রয়েছে দেশের কারাগারগুলোতে, এখন বন্দী আছে ৫২ হাজারের বেশি।
দ্রুত সার্চ কমিটি ও ইসি সংস্কার: মাহফুজ