অমর একুশে বইমেলার প্রথম শিশুপ্রহরে রঙ-তুলির আঁচড়ে রঙিন হয়ে উঠেছে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) মেলার দ্বিতীয় দিনে সকাল থেকেই অভিভাবকদের হাত ধরে শিশুদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।
তবে মেলায় এবার জনপ্রিয় শিশুতোষ অনুষ্ঠান সিসিমপুর ও আলাদা কোনো সুনির্দিষ্ট শিশুচত্বর না থাকায় শিশু ও অভিভাবকদের কণ্ঠে ছিল আক্ষেপ ও মন খারাপের সুর।
সরেজমিনে দেখা যায়, কেউ অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে আঁকছে বায়ান্নর শহীদ মিনার, কেউবা রঙ-তুলিতে ফুটিয়ে তুলছে সবুজ প্রকৃতি কিংবা মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বগাথা কোনো দৃশ্য। কারো কারো তুলিতে উঠে এসেছে স্বপ্নের আগামীর বাংলাদেশ। এভাবেই চিত্রাঙ্কন, কবিতা আবৃত্তি ও সংগীত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে শিশুপ্রহর।
তবে মেলা প্রাঙ্গণে এবার শিশুদের অন্যতম আকর্ষণ সিসিমপুরের ইকরি, হালুম কিংবা টুকটুকিদের উপস্থিতি ছিলো না। প্রিয় চরিত্রগুলোকে দেখতে না পেয়ে অনেক শিশুর চোখে-মুখেই অভিমান ঝরতে দেখা গেছে। সিসিমপুর বা আলাদা চত্বর না থাকলেও চিত্রাঙ্কন শেষে শিশুদের অনেককেই স্টলগুলোতে নতুন বইয়ের ঘ্রাণ নিতে দেখা যায়। সন্তানদের বইয়ের সঙ্গে পরিচয় করাতে পেরে খুশি অভিভাবকরাও।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, মেলার পুরো সময় জুড়ে প্রতি শুক্র ও শনিবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত শিশুপ্রহরের আয়োজন থাকবে। বাঙালির এই প্রাণের উৎসব চলবে আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত।
বইমেলায় শিশুপ্রহরে ‘সিসিমপুর’ থাকছে না