কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলের জমিগুলোতে এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে দেড়গুন বেশি হয়েছে ডালের আবাদ। বাজারে ভালো দামও পেয়েছেন স্থানীয় চাষিরা। শেষ পর্যন্ত বাজার ভালো থাকলে এবার বিনা খরচের আবাদে লাভবান হবেন চরাঞ্চলের কৃষকরা।
শনিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের বেলে দো-আঁশ মাটির জমিগুলোতে দিগন্তজোড়া ডালের আবাদ। কোথাও কোথাও শুরু হয়েছে ডাল সংরক্ষণের কাজ।
এ বছর বন্যা হওয়ায় জমিতে পলি পড়ে তা ডাল চাষের উপযোগী হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সময়মতোর ডালও বুনেছেন চাষিরা।
কৃষকরা বলছেন, ডালের আবাদে নেই সার তেলের খরচ। বীজ ছিটানোর পর দিতে হয়না নিড়ানি, নিতে হয়না বাড়তি পরিচর্যা। এবার সেচ দিতে হয়নি তেমনটা। সব মিলে খুশি চরের কৃষকরা।
আরও পড়ুন: ইয়েমেনে সৌদি জোটের বিমান হামলায় শিশুসহ নিহত ৭০
কৃষিবিভাগের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) আজিজুল ইসলাম বলেন, পুষ্টিতে ভরা ডালের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে জেলায়। খরচ না থাকায় চাষিরা ঝুঁকছেন ডাল চাষের দিকে। জেলার চরাঞ্চলের সাড়ে চার হাজার হেক্টর জমিতে মাস, মশুর, মুগ, খেষারী ও শুলটি ডাল চাষ করেছেন চাষিরা।
একাত্তর/আরবিএস
