অবৈধ গ্যাস ব্যবহারের অপরাধে চুন তৈরির একটি কারখানা গুড়িয়ে দিয়েছে তিতাসের ভ্রাম্যমাণ আদালত। আর গ্যাসের পাইপ তুলে নিয়েছে তিতাস কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (১ ফেব্রুয়ারি) নারায়ণগঞ্জের মদনপুরে অভিযানে প্রায় এক হাজার ফুট অবৈধ গ্যাসের লাইন উদ্ধার করা হয়। রেগুলেটর ছাড়া এসব গ্যাস ব্যবহারের ফলে বড় দুর্ঘটনার আশংকা ছিলে।
কিছুদিন আগেই নারায়ণগঞ্জের বন্দরের মদনপুর এলাকা সংবাদ শিরোনাম হয়েছিলো, সেখানে অবস্থিত জাহিন টেক্সটাইল ও গার্মেন্ট কারখানায় ভয়াবহ আগুনের কারণে।
সেই মদনপুরেই একটি কারখানায় অবৈধভাবে হাই প্রেশার লাইনে গ্যাস দিয়ে পাথর পুড়িয়ে চুন তৈরি করা হতো। অভিযানে পাইপ লাইন বিচ্ছিন্ন করার পাশাপাশি কারখানা গুড়িয়ে দেয়া হয়।
ওই এলাকায় একটি রেস্টুরেন্টের সামনে গ্যাস সিলিন্ডার রেখে অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছিলো। এই লাইন বিচ্ছিন্ন করে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আরও পড়ুন: করোনা সংক্রমণের ভয়াবহ আরেকটি মাস দেখলো দেশ
তিতাসের সোনারগাঁয়ের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সুরুজ আলম জানান, অবৈধ সংযোগের কারণে তিতাসের বৈধ সংযোগের গ্রাহকরাও ঠিকভাবে গ্যাস পাচ্ছে না।
১২টি চিহ্নিত স্পটে পর্যায়ক্রমে অভিযান চলমান থাকবে। অভিযান পরিচালনা করেন বন্দরের এসি ল্যান্ড ফাতেমাতুজ জহুরা। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন তিতাস ও পুলিশের কর্মকর্তারা।
অভিযানে প্রায় এক হাজার ফুট গ্যাসের হাই প্রেশার লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়। এতে প্রায় দুই হাজার বাড়ির গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে।
তিতাসের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমাম উদ্দিন শেখ জানান, অবৈধ এসব সংযোগের কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশংকা আছে। সব অবৈধ সংযোগ স্থায়ীভাবে বিচ্ছিন্নের উদ্দেশ্যেই এবারের অভিযান চলছে বলেও জানান তিনি।
একাত্তর/এসজে
