গণটিকা কার্যক্রমের দ্বিতীয় দিনে প্রথম বারের মত চলাচলে যারা অক্ষম তাদের জন্যে, টিকা নিয়ে বাড়ি বাড়ি যাওয়া শুরু করেছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা।
এছাড়া, সারাদেশের প্রতিটি টিকা কেন্দ্রে ভিড় বেড়েছে। তাদের মধ্যে নারীর সংখ্যাই বেশি। প্রথম দিন যারা টিকা নিতে পারেননি তারাও এসেছেন করোনা প্রতিরোধে সামিল হতে।
রোববার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বরিশালে উপজেলা এবং জেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্র থেকে গণটিকা দেয়া হলেও যারা চলাচলে অক্ষম তাদের বাড়িতে গিয়ে টিকা দেয়া হচ্ছে।
রেড ক্রিসেন্টের ৬০ জন স্বেচ্ছাসেবী নগরীর বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে চলাচলে অক্ষম বয়স্ক কিংবা প্রতিবন্ধী মানুষকে টিকা দিয়ে এসেছেন।
ভোর থেকে সাভারের বিভিন্ন টিকা কেন্দ্রে টিকা প্রত্যাশীরা ভিড় করলেও আগের দিনের মতো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি ছিলো না। নিয়ম মেনে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেই টিকা নিয়েছেন তারা।
বিগত কয়েক দিনের অভিজ্ঞতার আলো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এড়াতে কেন্দ্রে কেন্দ্র সতর্ক অবস্থানে ছিলেন স্বাস্থ্য কর্মী, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।
সিলেট বিভাগে প্রথম দিন গণটিকা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা সাড়ে ৪ লাখ ডোজ নির্ধারণ করা হলেও এদিন প্রায় ৭ লাখ ডোজ টিকা দেয়া হয় বলে জানায় স্বাস্থ্য বিভাগ।
তারপরও রোববার সিলেটের টিকা কেন্দ্রগুলোতেও ছিলো টিকা গ্রহীতাদের ভিড়। অনেক কেন্দ্রে ভোর থেকেই লাইনে দাঁড়াতে শুরু করেন আগ্রহীরা।
মানিকগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে গণটিকার কর্মসূচি। কেন্দ্রগুলোতে প্রথম ডোজের পাশাপাশি দ্বিতীয় ডোজ ও বুস্টার ডোজও দেয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন: করোনাভাইরাস: একদিনে বাড়লো মৃত্যু ও শনাক্ত
গাজীপুরের হাসপাতাল ও টিকা কেন্দ্রগুলোতে দেখা গেছে নারী টিকা গ্রহীতাদের ভিড়। সকাল থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে তেমন ভিড় না থাকলেও হাসপাতাল ও সিটিতে লম্বা লাইন ছিলো।
সকাল থেকে নেত্রকোনা শহরের বিভিন্ন গণটিকার অস্থায়ী কেন্দ্রগুলোতে তেমন ভিড় দেখা না গেলেও স্থায়ী কেন্দ্রগুলোতে প্রথম, দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজ টিকা আগ্রহীদের ভিড় দেখা গেছে।
একাত্তর/আরএ
