শখের বসে ফুলবাগান করে, শেষ পর্যন্ত একজন উদ্যোক্তা বনে গেছেন দিনাজপুরের তনুশ্রী। অল্প কিছু গাছ দিয়ে শুরু করলেও এখন তার সংগ্রহ রয়েছে শত শত গাছ-গাছালি।
তার বাগানে এখন শোভা পাচ্ছে দেশি-বিদেশি পাঁচ শতাধিক ফুল ও শোভাবর্ধনকারী গাছ। আর অনলাইন চারা ও বীজ বিক্রি করে মাসে তিনি আয় করছেন ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা।
তনুশ্রীর বাগানে গেলেই চোখে পড়বে লাল, নীল, বেগুনি, হলুদ, সাদাসহ নানা রঙের সমাহার। যে দিকে তাকানো যায় দেখা মেলে বাহারি রংয়ের ফুলের মেলা।
২০১৯ সালে দিনাজপুর শহরের রাজবাটী এলাকার নিজ বাড়ির ছাদে কয়েকটি টবে ফুল গাছ লাগিয়ে বাগান চর্চা শুরু করেন গৃহিনী তনুশ্রী মজুমদার।
আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে সৌখিনতা। তিন বছরে তার বাগান সমৃদ্ধ হয়েছে পিটুনিয়া, অর্কিড, চন্দ্রপ্রভা, সিলভার কুইনসহ দেশ বিদেশের বিভিন্ন ধরনের পাঁচ শতাধিক ফুল গাছে।
শখ থেকে শুরু হলেও এই ছাদ বাগান এখন তনুশ্রী মজুমদারের আয়ের একটি উৎস। অনলাইন প্লাটফর্মকে কাজে লাগিয়ে চারা-বীজ বিক্রি করে মাসে তিনি আয় করছেন ২০-২৫ হাজার টাকা।
শুধু যে বিক্রিই করছেন তেমন নয়। সেই সঙ্গে তিনি গাছ আদান-প্রদানও করে থাকেন। আবার সবুজ বিপ্লব ছড়িয়ে দিতে অনেককে গাছ উপহারও দেন তনুশ্রী।
নাম ছড়িয়ে পড়তে শুরু করার পর বিভিন্ন জায়গা থেকে তার বাগান দেখতে ভিড় করছেন অনেকে। বাগান তৈরিতে আগ্রহীদের পরামর্শ দিচ্ছেন তনুশ্রী।
তার এই উদ্যোগ নারীদের সাবলম্বী হতে আরও উৎসাহ দেবে বলছেন অর্থনীতিবিদরা। বাগানে ৭০ রকমের জবা ফুলের গাছ, ২০ রকমের শাপলা, ১৫ রকমের পিটুনিয়া গাছ রয়েছে।
