হাওরের বিপদ এখনও কাটেনি। চলতি সপ্তাহের শেষে আবারও পাহাড়ি ঢলে বড় বন্যার আশংকা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মেঘালয় ও চেরাপুঞ্জিতে বৃষ্টিপাতের প্রভাবে এই বন্যা হবে। তারা আরো জানান, বৃষ্টির পরিমাণ ছিল চারশ’ থেকে পাঁচশ’ মিলিমিটার।
মাসের শুরুতে পাহাড়ি উজানের ঢলে হাওরে তলিয়ে যায় প্রায় পাঁচ হাজার একর ফসলি জমি। ক্ষতি হয় প্রায় ৫৫ কোটি টাকা। পথে বসে কমপক্ষে বিশ হাজার কৃষক।

প্রথম ধাপের জের কাটতে না কাটতেই আবারও দ্বিতীয় ধাপের বন্যার পূর্বাভাস দেখা দিয়েছে। রোববার থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে চেরাপুঞ্জিতে।
সেখানকার আবহওয়া অফিস জানাচ্ছে, দিনে কমপক্ষে ১০০ মিলিমিটার বৃষ্টির পূর্বাভাষ দেয়া হয়েছে। এই বৃষ্টিপাত চলবে আরও কয়েকদিন।
পাশাপাশি দেশের ভেতরে উত্তর-পূর্বাঞ্চল, সুনামগঞ্জ, সিলেটসহ বেশি কিছু জেলায় টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই দুই বৃষ্টির প্রভাবে হাওরের নদীগুলো বিপদসীমায় চলে আসতে পারে।
সেক্ষেত্রে পানিপ্রবাহ বাঁধাগ্রস্থ হলে তা বাঁধ উপচে হাওরে প্রবেশ করবে বলে সতর্ক করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। তাদের আশঙ্কা দ্বিতীয় ধাপের বন্যা হাওরের জন্য বেশি হুমকি হবে।

এরই মধ্যে হাওরের ১৩০টির মধ্যে ঝুকিঁপূর্ন বাঁধ চিহ্নিত করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এরমধ্যে ৮০টির মেরামত কাজ শেষ হয়েছে। বাকি গুলোর কাজ চলছে।
সপ্তাহ শেষে উজান থেকে পানির ঢল নামলে হাওরের কৃষকরা বিপদেই পড়বেন বলে জানান পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক ফজলুর রশিদ।
বন্যার পূর্বভাস এরইমধ্যে মাঠ পর্যায়ে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। পরামর্শ দেয়া হয়েছে পাকা ধান যেন দ্রুত কেটেই নেয়া হয়। এজন্য প্রশাসন সহায়তাও দেবে।
