বুধবার (১৩ এপ্রিল) সকাল থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় স্টেশনে এসে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। অনেকে টিকেট ফেরত দিয়ে বিকল্প উপায়ে গন্তব্যে যান।
তবে বেশিরভাগ যাত্রীই স্টেশনে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর বাড়ি ফিরে যান। যাত্রীরা জানান, এমন হুট করে ধর্মঘট সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ায়।
সকাল সাতটার আগেই চট্টগ্রামে স্টেশনে আসেন ঢাকাগামী সুবর্ণ এক্সপ্রেসসহ ময়মনসিংহ, সিলেট ও চাঁদপুরগামী ছয়টি ট্রেনের যাত্রীরা।
তবে স্টেশনে এসেই জানতে পারেন রেল কর্মচারীদের ধর্মঘটে ট্রেন চলাচল বন্ধ। আদৌ ট্রেন চলবে কিনা, সে সম্পর্কেও কোন কিছু বলতে পারছিলেন স্টেশনের কর্মকর্তারা।
চট্টগ্রাম রেল স্টেশন ম্যানেজার রতন কুমার চৌধুরী জানালেন, ট্রেন বন্ধ থাকায় যাত্রীদের টিকেটের টাকা ফেরত দিয়ে দেন তারা।
একইভাবে রাজশাহী স্টেশন এসে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। ধর্মঘটের কারণে স্টেশন ছাড়েনি ঢাকাগামী বনলতা ও সিল্কসিটি এবং খুলনাগামী মধুমতি ও সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস।
খুলনাতেও ট্রেন বন্ধের কারণে স্টেশনে আটকে পড়েন হাজারো যাত্রী। যেতে পারেননি গন্তব্যে। অনেকেই বাড়ি ফিরে গেছেন। তাদের বেশি জরুরি তারা বিকল্প পথ ধরেছেন।
পূর্ব ঘোষণা ছাড়া ট্রেন বন্ধ করায় ক্ষোভ জানান ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে আসা যাত্রীরা। তবে বিভিন্ন কাউন্টারে আন্তঃনগর ট্রেনের আগাম টিকেট বিক্রি স্বাভাবিক ছিলো।
গাজীপুরের জয়দেবপুরসহ বিভিন্ন স্টেশনে আটকা পড়ে উত্তরবঙ্গ থেকে আসা একতা এক্সপ্রেসসহ কয়েকটি ট্রেন।
একাত্তর/এআর
