দুইবছরের মধ্যে প্রথমবার করোনার বিধিনিষেধহীন ভাবে ঈদ উৎযাপন করে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে কর্মজীবী মানুষ। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার বলে খ্যাত পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে যাত্রীদের চাপ বেড়েছে।
ভোর থেকেই কর্মস্থলে ফেরা মানুষের চাপ বাড়তে থাকে ঘাট এলাকায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বেড়ে যায়। রাস্তাঘাট ফাঁকা থাকায় স্বস্তি নিয়ে কর্মস্থলের দিকে ঘাট পার হচ্ছেন যাত্রীরা। তবে স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগির পর তাদের রেখে আসতে কষ্ট হচ্ছে বলে জানান তারা।
সোহাগ নামের এক যাত্রী বলেন, ‘ দুইবছর পর বাবা-মা ও স্ত্রী-সন্তানের সঙ্গে ঈদ কাটালাম। খুব ভালো লাগল। এখন তাদের রেখে আসতে কষ্ট হচ্ছে। তারপরও যেতে হবে, না গেলে চাকরি থাকবে না।’
সবুজ নামের আপর এক যাত্রী জানান, এবার ঘাটে কোনো ঝামেলা হয়নি। ভাড়াও বেশি নেয়নি। রাস্তাও ফাঁকা। সবমিলিয়ে ভালোভাবে আসতে পেরেছি।
পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে বৃহস্পতিবার ২১টি ফেরি ও ৩৩টি লঞ্চ চলাচল করছে।
ঘাট কর্তৃপক্ষ জানায়, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দূরপাল্লার পরিবহন এবং প্রাইভেটকারের চাপ বাড়ছে। তবে এই নৌপথে পর্যাপ্ত ফেরি চলাচল করায় পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে।
এদিকে ঈদের তৃতীয় দিনে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট প্রান্তে ঘরমুখো মানুষের চাপ রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ফেরি ঘাটের পার্কিং ইয়ার্ড জুড়ে শত শত ব্যক্তিগত যানবাহনের সারি দেখা গেছে। খানিকটা চাপ রয়েছে মোটর সাইকেলেরও। আর লঞ্চ ঘাটেও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের ভির দেখা গেছে। অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ছাড়ছে লঞ্চ গুলো।
বিআইডব্লিটিসির মেরিন এজিএম আহাম্মদ আলী বলেন,অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে আজকে ঘাটে ভির হচ্ছে। তারা এমন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তত ছিলেন না। যেখানে ঈদের আগে দেড় দিন ঘাট পুরো ফাঁকা ছিলো,সেখানে ঈদের দুই দিন পর মানুষ ও যানবাহনের ভির অপ্রত্যাশিত ছিলো। আজকে ১০ টি ফেরি সচল রেখে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে।
একাত্তর/এসএ
