কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ভোটের দিনেও খোলা থাকছে সরকারি-বেসরকারি অফিস। সাধারণ ছুটির আওতায় থাকছে কেবল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
তাই ভোট দেয়া নিয়ে কিছুটা জটিলতার শঙ্কায় আছেন কর্মজীবী ভোটাররা। এছাড়া ভোটের দিন বৃষ্টির পূর্বাভাসও রয়েছে। তারপরও একটি সুষ্ঠু ভোটের অপেক্ষায় কুমিল্লাবাসী।
গোমতি পাড়ের কুমিল্লা এখন ভোটের নগরী। মূল সড়ক থেকে অলিগলি, শহর জুড়ে সাদাকালো পোস্টার। তবে, নেই প্রচারের কোলাহল। নগর-জুড়েই নিরাপত্তার বজ্র আঁটুনি।
রাত পোহালেই ভোট উৎসবে মেতে উঠার অপেক্ষা। পছন্দের মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের বেছে নিতে ভোট দেবেন কুমিল্লা সিটির ভোটাররা।
নিয়ম অনুযায়ী যে কোন স্থানীয় ভোটের দিন ওই এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। কিন্তু কুমিল্লায় ভোটের দিন খোলা থাকছে সরকারি বেসরকারি অফিস।
যেসব শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভোটকেন্দ্র পড়েছে, সেসব ছাড়া অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অফিসগুলো খোলা থাকবে। তাই কর্মজীবী ভোটাররা কিভাবে ভোট দেবেন তা নিয়ে শঙ্কায় আছেন।
কুমিল্লার সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ট্রাক-পিকআপ, মোটর সাইকেল চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়ে হয়েছে। এমনকি বহিরাগতদের প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা আছে।
কিন্তু কুমিল্লা শহর জুড়ে যে অসংখ্য ব্যাটারিচালিত রিকশা-ইজিবাইক চলাচল করে সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে, ভোটের দিনও যানজটে ভুগতে হতে পারে কুমিল্লাবাসীকে।
মঙ্গলবার সারাদিনই কালো মেঘে ঢাকা ছিলো কুমিল্লার আকাশ। বুধবারও আছে বৃষ্টির পূর্বাভাস। ভোটের দিন বৃষ্টি থাকলে নিশ্চিতভাবেই কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতির ক্ষেত্রে প্রভাব পড়বে।
বিগত ২০১৭ সালের কুসিক নির্বাচনে ভোটার ছিলো দুই লাখ সাত হাজার ৫৬৬ জন। এখন সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে দুই লাখ ২৯ হাজার ৯২০।
আরও পড়ুন: রাত পোহালেই কুমিল্লা নগরীতে ভোট উৎসব, প্রস্তুত ইসি
এর মধ্যে নারী ভোটার এক লাখ ১৭ হাজার ৯২ জন ও পুরুষ ভোটার এক লাখ ১২ হাজার ৮২৬ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন দুজন।
সে হিসাবে গতবারের তুলনায় এবার ভোটার বেড়েছে ২২ হাজার ৩৫৪ জন, যাদের প্রায় সবাই তরুণ। এ ছাড়া এখানে পুরুষ থেকে নারী ভোটার বেশি। সংখ্যালঘু ভোটার প্রায় ৩৫ হাজার।
একাত্তর/আরএ
