পদ্মাসেতু চালু হলে কৃষি নির্ভর মেহেরপুরের কৃষকরা পাবেন কৃষির দাম। সম্প্রসারিত হবে কৃষির বাজার। বদলে যাবে জেলার প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের অর্থনৈতিক চিত্র।
প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে মেহেরপুরসহ সব জেলায় অর্থনৈতিকভাবে উপকৃত হবে। ঢাকাসহ অন্যান্য জেলার সঙ্গে যোগাযোগ সহজতর হবে। বলছিলেন- মেহেরপুর সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল আমিন ধুমকেতু। খবর বাসসের।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে গ্রামীণ উন্নয়নশীল এলাকার বিশাল জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক উন্নয়ন, জীবনমানের উন্নয়ন ও জ্ঞান-মনোভাবের ব্যাপক পরিবর্তনে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির বিকল্প নেই। পদ্মাসেতু চালু হলে বদলে যাবে জেলার প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের অর্থনৈতিক চিত্র। ইতোমধ্যেই এ অঞ্চলে জমির দাম অনেকটাই বেড়ে গেছে।
পদ্মাসেতুর এপারে সংযোগ সড়ক থেকে ভাঙ্গা উপজেলার তিনদিকে তিনটি রাস্তা চলে গেছে। এর একটি বরিশাল, একটি খুলনা অংশে, আরেকটি রাজবাড়ী, যশোর, বেনাপোল, চুয়াডাঙ্গা হয়ে মেহেরপুর। এ সড়ক যুক্ত হবে মোংলা, পায়রা সমুদ্রবন্দর ও বেনাপোল স্থলবন্দরের সঙ্গে। ফলে তিন বন্দর দিয়েই আমদানি পণ্য দ্রুত ঢাকাসহ শিল্পাঞ্চলগুলোয় প্রবেশ করতে পারবে।
আরও পড়ুন: পদ্মা সেতুর বিরোধীদের বিচার সময়ই বলে দেবে: প্রধানমন্ত্রী
এতে রপ্তানি পণ্যের লিড টাইম (ব্যাক টু ব্যাক এলসির আওতায় কাঁচামাল আমদানি করে তা দিয়ে পণ্য তৈরির পর রপ্তানি করতে যে সময় লাগে) কমে যাবে। ফলে দ্রুত ব্যবসার রিটার্ন বা মুনাফা পাওয়া যাবে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হবে বহুমুখী খাত। সেতুর মাওয়া অংশ থেকে ঢাকা, মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ করবে।
একাত্তর/আরএ
