কোরবানী উপলক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এবার প্রায় একশোটি স্থানে পশুর হাট বসেছে। এর মধ্যে জেলা সদরেই রয়েছে ৯টি হাট। অন্যান্য বারের তুলনায় এ বছর হাটগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় বেশি। ক্রেতারা বলছেন, চাহিদা অনুযায়ী, এবার প্রতিটি হাটেই কোরবানীর পশু কিনছেন তারা।
তবে, এবারে ক্রেতাদের দৃষ্টি মাঝারী পশুর দিকে। আর বিক্রেতারা বলছেন, গো-খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় তাদের তেমন একটা লাভ হচ্ছেনা। সামান্য লাভেই ছেড়ে দিচ্ছেন পশু।
তাছাড়া এবার হাটগুলোতে পশুর দাম ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রয়েছে। তবে এবার বন্যা থাকায় আগে থেকে কোরবানির পশু বিক্রি না হওয়ায় দেরিতে হলেও বাজার জমতে শুরু করেছে।
জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা এ বিএম সাইফুজ্জামান জানিয়েছেন, রোগাক্রান্ত ও স্টেরয়েড যুক্ত পশু শনাক্তে হাটগুলোতে ৫৮ টি ভেটেনারী মেডিকেল টিম কাজ করছে। অন্যদিকে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তায় পুলিশের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। তবে করোনার প্রকোপ বাড়লেও অধিকাংশ হাটেই স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না কেউ।
এদিকে, হাটগুলোতে নিরাপত্তা প্রসঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এমরানুল ইসলাম জানিয়েছেন, পশুবাহী ট্রাকে চাঁদাবাজি ও ছিনতাই ঠেকাতে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাট পরিচালনার কথা থাকলেও ক্রেতা বিক্রেতারা এ বিষয়ে উদাসীন।
একাত্তর/ এনএ
