নড়াইল সদরে কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে বড়মিয়া ও ব্ল্যাক ডায়মন্ডকে। এই দুই বিশালাকার গরু এখন আলোচনার তুঙ্গে। দাম ধরা হয়েছে ৭ থেকে ১০ লাখ টাকা। তবে গো খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় পশুর কাঙ্ক্ষিত দাম নিয়ে শঙ্কায় খামারিরা।
এদিকে মানিকগঞ্জে এবার কোরবানির গরু কিনতে হাটের চেয়ে খামারগুলোতে বেশি ঝুঁকছেন ক্রেতারা।
সাড়ে ২২ মণ ওজনের ব্ল্যাক ডায়মন্ডকে আদরে যত্নে লালন-পালন করেছেন, নড়াইলের চিত্রা এগ্রো খামারের মালিক মিল্টন সিকদার।

কোরবানির জন্য যার দাম ধরেছেন ৭ থেকে ১০ লাখ টাকা। এছাড়া সীমাখালী গ্রামের জামিউল ইসলাম, সাড়ে পাঁচশ কেজি ওজনের বড় মিয়াকে প্রস্তুত করেছেন তার স্বপ্নচূড়া ডেয়রি ফার্মে।
চিত্রা এগ্রো খামারের মালিক মিল্টন সিকদার বলেন, সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে, অর্থাৎ পর্যাপ্ত কাঁচা ঘাস খাওয়ানো হয়। পাশাপাশি দানাদার ভুট্টা, গম, বিভিন্ন রকমের খৈল খাইয়ে আমরা গরু লালন-পালন করি।
খামারের শ্রমিকরা বলছেন, দেশীয় খাবার কাঁচা ঘাস, লবণ, ভুট্টা ও গমের ভুসি, চিটাগুড়, খাইয়ে পশুগুলোকে তৈরি করেছেন।

এছাড়া জেলার সাড়ে চার হাজার খামারি এবার কোরবানির জন্য ৫৩ হাজার পশু প্রস্তুত করেছেন।
এদিকে মানিকগঞ্জে ক্রেতারা এবার কোরবানির জন্য পশু কিনতে, হাটের চেয়ে বেশি ঝুঁকছেন খামারগুলোতে। কারণ হিসেবে অনেকেই বলছেন হাটের ঝক্কি-ঝামেলা এড়াতে চান।
জেলায় এবার ছোট-বড় মিলিয়ে ১০ হাজার ১৫টি খামারে, চাহিদার থেকে দ্বিগুণ পশু প্রস্তুত করেছেন খামারিরা। আর প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা বলছেন, জেলার চাহিদা মিটিয়ে পশু বাইরেও সরবরাহ হবে।
মানিকগঞ্জ সদরের প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা আজিজুল হক বলেন, খামারে যেটা থাকে সেটা মোটামুটি নির্দিষ্ট থাকে। এতে করে খামারি তার পশু বিক্রি করে দিচ্ছে। এদিকে হঠাৎ করে দাম বৃদ্ধি পায়, সেটা আর হয় না। না হওয়ার কারণে ক্রেতারা ন্যায্য দামে গরু কিনে নিয়ে যাচ্ছে।
জেলায় এবার কোরবানির জন্য পশু প্রস্তুত রয়েছে এক লাখ ২১ হাজার ৫৪২টি।
দম ফেলার ফুরসত নেই গাইবান্ধার কামারদের