নেত্রকোনায় আত্মীয়র বাড়ি থেকে ফেরার পথে মায়ের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ইতিমধ্যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গত বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) রাতে জেলার মদন উপজেলার কাইটাইল বাজারের পাশে মদন-কেন্দুয়া সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) নির্যাতনের শিকার ওই কিশোরীর বাবা পাঁচ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন-বাশরী গ্রামের রাব্বি মিয়া (২৫) ও অন্তর মিয়া (২৩)।
ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবার জানায়, ওইদিন সন্ধ্যায় কিশোরীটি মায়ের সঙ্গে আত্মীয় বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে ফিরছিল। উপজেলার তিয়শ্রী বাজারে আসলে অন্ধকার ঘনিয়ে আসে। সেখান থেকে একটি অটোরিকশা যোগে তারা কাইটাইল বাজারের পাশে এসে নামে। কিশোরীরকে রাস্তার এক পাশে রেখে অন্য পাশে অটোচালককে ভাড়া দিতে যায় তার মা। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আরেকটি অটোরিকশায় পাঁচ যুবক উচ্চ শব্দে সাউন্ড বক্স বাজিয়ে কিশোরীকে তুলে নিয়ে যায়। ভাড়া দিয়ে রাস্তার পাশে মেয়েকে না পেয়ে চিৎকার শুরু করেন মা।
পরিবারটির অভিযোগ, পাঁচ যুবক কিশোরীকে চেতনানাশক খাইয়ে বাররী গ্রামের সেলিম মিয়া ঘরে আটকে রেখে ধর্ষণ করে। পরদিন সকালে হত্যার ভয় দেখিয়ে আরেক দফা ধর্ষণ করার সময় প্রতিবেশীরা বিষয়টি টের পেলে তারা পালিয়ে যায়। এর পর উদ্ধার করে পরিবারে খবর দেয়।
আরও পড়ুন: ওসি প্রদীপের ২০ ও স্ত্রী চুমকির ২১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম জানান, ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। অভিযুক্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। গ্রেপ্তারদের বুধবার নেত্রকোনা আদালতে পাঠানো হবে। ওই কিশোরীকেও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে।
একাত্তর/এসি
