চট্টগ্রাম সিটি মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, নগরীতে যে সড়কগুলো নির্মাণ করা হয় সেগুলোর ধারণ ক্ষমতা অনেক কম। চট্টগ্রাম বন্দরের ২০ হতে ৩০ টন মালামাল-বোঝাই ট্রাক ও লরি চলাচলের কারণে সড়কগুলো দ্রুত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই বন্দর ব্যবহারকারী পরিবহণগুলো থেকে নির্দিষ্ট হারে ট্যাক্স আদায় এবং কাস্টমের বিল অব এন্ট্রি থেকে একটি নির্দিষ্ট হারে চার্জ আদায়ে মন্ত্রণালয়সহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
রোববার (২৮ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৬ষ্ঠ নির্বাচিত পরিষদের ১৯তম সাধারণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। খবর বাসসের।
মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম দেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র। চট্টগ্রামের উন্নয়ন মানে সারাদেশের উন্নয়ন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েছেন বলে চট্টগ্রামের উন্নয়নে অনেকগুলো মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন। এ প্রকল্পগুলোর কাজ প্রায় সমাপ্তির পথে।
প্রকল্পের মধ্যে কর্ণফুলী টানেল, মিরসরাই বিশেষ শিল্পাঞ্চল, মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর, বে-টার্মিনাল হলে চট্টগ্রাম নগরীর গুরুত্ব যেমন বেড়ে যাবে, তেমনি ব্যবসা বাণিজ্যে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিদেশিদের আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে। অর্থাৎ চট্টগ্রাম হবে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার হাব। এ কারণে চট্টগ্রাম নগরীকে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে সাজাতে হবে।
তিনি বলেন, এক্ষেত্রে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে অভিভাবকের ভূমিকা পালন করতে হবে। নগরীকে সাজাতে চসিকের প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। গৃহকরের ওপর নির্ভর করে বিশাল অংকের আর্থিক ব্যয় নির্বাহ করতে হচ্ছে। এই ক্ষেত্রে সিটি কর্পোরেশনকে আর্থিকভাবে সচ্ছল হতে হবে।
আরও পড়ুন: কমতে পারে চালের দাম, আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার
চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদুল আলমের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন প্যানেল মেয়র আবদুস সবুর লিটন, মো. গিয়াস উদ্দিন, আফরোজা কালাম, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলরগণসহ চসিক সচিব খালেদ মাহমুদ, প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, মেয়রের একান্ত সচিব ও প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবুল হাশেম প্রমুখ।
একাত্তর/আরএ
