মুন্সীগঞ্জে বিএনপি'র পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছেন পুলিশসহ অন্তত ৬০ জন।
বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকাল চারটার দিকে ফেরিঘাট এলাকায় শুরু হওয়া এ সংঘর্ষ এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত চলছে বলে জানা গেছে।
এতে মুন্সীগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিনহাজুল আবেদিন ও সদর থানার ওসি তারিকুজ্জামানসহ ৩০ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
বিএনপি নেতাকর্মীরা জানান, বিএনপির পূর্বঘোষিত মিছিল মুক্তারপুরে বিভিন্ন এলাকা থেকে বের হয়ে জড়ো হয় ফেরিঘাট এলাকায়।
এসময় একটি বড় মিছিল বের হলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এতে বিএনপি নেতাকর্মীরা উত্তেজিত হয়ে যায়।
এসময় পুলিশ প্রায় অর্ধশত রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে। বিএনপি নেতাকর্মীরাও জবাবে পাল্টা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, এ সংঘর্ষের ঘটনায় মুন্সীগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিনহাজুল আবেদিন, সদর থানার ওসি তারিকুজ্জামানসহ ৩০ পুলিশ সদস্য এবং তিন সাংবাদিকসহ বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
সদর থানা বিএনপির সভাপতি মো. মহিউদ্দিন জানান, বিএনপির পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচিতে মিছিলে আসতে থাকলে পুলিশ বাধা দেয় ও তাদের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে। এতে কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে পড়লে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।
আরও পড়ুন: প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাত, মাদরাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার
এসময় তাদের প্রায় ৫০ জনেরও বেশি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান, এখন পর্যন্ত ৩০ জনের মত পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিনহাজুল আবেদিনের অবস্থা গুরুতর।
একাত্তর/এসজে
