বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি'র সাবেক সভাপতি ও ঝিনাইদহ-২ আসনের চার বারের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মসিউর রহমান মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।
মঙ্গলবার (১ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে সাংগঠনিক সব কাজ শেষে শহরের গীতাঞ্জলী সড়কের নিজ বাসভবনে ঘুমিয়ে পড়েন মসিউর রহমান। সেখানে তিনি একাই থাকতেন। তার পরিবারের সদস্যরা ঢাকাতে থাকেন। মঙ্গলবার সকালে তিনি ড্রাইভারকে শরীর খারাপ লাগছে বলে ফোন দিয়ে দ্রুত বাসায় আসতে বলেন। এরপর ড্রাইভারসহ অন্যরা এসে ডাকাডাকি করে না পেয়ে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে দেখে মসিউর রহমান বিছানায় পড়ে আছেন। এরপর তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন তিনি। তার মৃত্যুর খবর শুনে হাসপাতালে ভিড় করেন বিএনপিসহ অঙ্গসংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের মানুষ।

ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা: ছোয়া ইসরাইল জানান, হাসপাতালে মৃত অবস্থায় তাকে পেয়েছি। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে বোঝা যাচ্ছে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাজেদুর রহমান পপপু জানান, জেলার উন্নয়নের জন্য মসিউর রহমানের অবদান অনস্বীকার্য। তার মৃত্যুতে অপুরনীয় ক্ষতি রাজনীতি অঙ্গনে, এমনকি আমরা একজন অভিভাবককে হারালাম।
আরও পড়ুন: তারেক ও জোবায়দার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
অপরদিকে জেলা বিএনপির সভাপতি এম.এ মজিদ জানান, ঝিনাইদহে বেশিরভাগ উন্নয়ন মসিউর রহমানের হাত ধরেই হয়েছে। তিনি মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। জননন্দিত এ নেতার মৃত্যুতে বিএনপির অপুরনীয় ক্ষতিসাধন হয়েছে।
আজ বিকালে তার জানাযা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করার কথা রয়েছে বলে দলীয় সুত্র জানায়।
একাত্তর/আরবিএস
