ভোলায় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আব্দুর রহিমের স্ত্রী খাদিজা বেগম, তার স্বামী হত্যার বিচার দাবি করেছেন।
শনিবার দুপুরে বরিশালের বঙ্গবন্ধু উদ্যানে বিএনপির গণসমাবেশ মঞ্চে উপস্থিত হয়ে তিনি এই দাবি জানান। তিনি বলেন, ভিন্ন মতাদর্শের হবার কারণে কাউকে হত্যা করা যায় না।
খাদিজা বেগম বলেন, আমি আমার স্বামীকে হত্যার বিচার শেখ হাসিনার সরকারের কাছে চাই না। আমি হত্যার বদলে হত্যা চাই, গুলির বদলে গুলি চাই, রক্তের বদলে রক্ত চাই।
তিনি আরও বলেন, আমি দুনিয়ায় অসহায় হয়ে পড়েছি। আমার সন্তানদের এতিম করে দেওয়া হয়েছে। আমার স্বামীর কোনো অন্যায় ছিল না। আমার স্বামীর অন্যায় ছিল তিনি শেখ হাসিনার বিপরীত মতাদর্শের নীতি ভালোবাসতেন। এটা কোনো অন্যায় হতে পারে না।
গণসমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ খান কালু ও তার ভাই মিরাজ খানের মা ফিরোজা বেগম।
তিনি বলেন, আমার দুই ছেলেকে গুম করা হয়েছে। এই সরকার নিজেদের মানবতার সরকার বলে দাবি করে। আমার ছোট ছেলে মিরাজ খানে বয়স তখন মাত্র ১৫ বছর। আমার দুই ছেলের কী দোষ ছিল তাদের গুম করা হলো? আমার বুক খালি করা হলো!
আরও পড়ুন: ‘সবাই রিজার্ভ ব্যবহার করে চলছে, আমাদেরও করতে হচ্ছে’
ফিরোজা বেগম বলেন, আমি আমার ছেলেদের ফেরত চাই। এই মঞ্চে আমার বড় ছেলে কালুর স্ত্রী ও ছেলের আসার কথা ছিলো। কিন্তু সরকার সব যানবাহন বন্ধ করে দেয়ার তারা আসতে পারেনি। আমি আমার ছেলেদের ফেরত চাই। আমার ছোট নাতি তার বাবাকে ফেরত চায়।
একাত্তর/এসি
