বাগেরহাটের ফকিরহাটে বেড়া ভেঙে ঘরে ঢুকে এক মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রীকে (১৫) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) রাতে এ ঘটনায় ফকিরহাট মডেল থানায় ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীর মা একজনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন।
তবে মামলার আসামি দেয়াপাড়া গ্রামের হাবিল শেখকে (৩৫) এখনও পুলিশ আটক করতে পারেনি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) সঞ্জিব কুমার পাল মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে জানান, উপজেলার শুভদিয়া ইউনিয়নের দেয়াপাড়া গ্রামে গত ১৩ ডিসেম্বর রাত দুইটার দিকে অভিযুক্ত হাবিল শেখ ঘুমন্ত ওই কিশোরীর ঘরের বেড়া ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে। এসময় মেয়েটির চিৎকারে তার পরিবারের লোকজন ছুটে আসেন। এরপর ওই কিশোরীর মাকে লোহার রড দিয়ে হাতে আঘাত করে পালিয়ে যান হাবিল।
তিনি আরও জানান, হাবিলের রডের আঘাতে কিশোরীর মার হাত ভেঙ্গে যায়। স্থানীয়রা মেয়ে ও মাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করে। পরে তাদেরকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ধর্ষণের শিকার কিশোরীর সেখানে ডাক্তারি পরীক্ষাও করা হয় বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন: গৃহবধূকে ধর্ষণ ও হত্যার পর মরদেহ পুকুরে, ঘাতক গ্রেপ্তার
ধর্ষণের অভিযোগে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মু. আলীমুজ্জামান জানান, আসামিকে আটকের জোর চেষ্টা চলছে। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।
একাত্তর/জো
