চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সীমা অক্সিজেন লিমিটেডে বিস্ফোরণের ঘটনায় জেলা প্রশাসকের হাতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে তদন্ত কমিটি। ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা এড়াতে ৯ দফা সুপারিশ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) সকালে বিষ্ফোরণের ঘটনার ১০ দিন পর চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের হাতে আট পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত কমিটির আহবায়ক রাকিব হাসান।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওই বিস্ফোরণে সীমা অক্সিজেনের উদাসিনতা, তদারকির দায়িত্বে থাকা সরকার দপ্তরগুলোর গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদনে কারখানাটির অগ্নিনির্বাপক, বিস্ফোরক অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্রগুলো কেবল কাগজনির্ভর ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে বলেও সূত্র জানিয়েছে।
তবে এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান এবং তদন্ত কমিটির আহবায়ক রাকিব হাসান বিস্তারিত কিছু জানান নাই।
জেলা প্রশাসক বলেন, তদন্ত কমিটি একাধিকবার সরেজমিন গিয়ে টেকনিক্যাল খুঁটিনাটি দেখে প্রতিবেদন তৈরি করেছেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাবো। অনুমোদন পেলে দুর্ঘটনার কারণ, উৎস ও সুপারিশমালা আপনাদের পরে জানাবো।
এ ব্যাপারে রাকিব হাসান বলেন, কিছু ঘাটতি, কিছু অবহেলা অবশ্যই ছিল। যার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমরা এ পর্যন্ত এতটুকুই রাখি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে পুরো প্রতিবেদন ও সুপারিশমালা আপনাদের পরে জানানো হবে।
আরও পড়ুন: রপ্তানির আড়ালে চার প্রতিষ্ঠানের ৩৮০ কোটি পাচার
এর আগে গত চার মার্চ বিকেলে সীতাকুণ্ডের কদমরসুল এলাকার সীমা অক্সিজেন কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে সাত জন নিহত হওয়ার পাশাপাশি অন্তত ৩০ জন আহত হন। ঘটনার পর কারণ অনুসন্ধানে সব বিভাগের সমন্বয়ে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি করে জেলা প্রশাসক। পাঁচ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার কথা থাকলেও একদফা সময় বাড়িয়ে মঙ্গলবার প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়।
একাত্তর/এসি
