পর্যটকের উৎপাতে জীববৈচিত্র হারাচ্ছে টেংরাগিরি বনাঞ্চল

আপডেট : ২১ মার্চ ২০২৩, ১২:০৯ পিএম

হাজারো পর্যটকের নিয়ন্ত্রণহীন অবাধ বিচরণ ও সাগরের ঢেউয়ের ভাঙনে বিপন্ন হয়ে পড়েছে পটুয়াখালীর টেংরাগিরি বনাঞ্চল। পর্যটকদের লাগানো আগুনে ধ্বংস হচ্ছে বনের গাছ, সাগরের ভাঙনে কমছে বনের পরিধি। এমন অবস্থায় ঝড়-ঝঞ্জা থেকে উপকূলীয় এলাকা রক্ষায় এই বনাঞ্চল বাঁচিয়ে রাখার দাবি জানিয়েছেন পরিবেশকর্মীরা। 

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর সুন্দরবন খ্যাত টেংরাগিরি ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল। বনটির আয়তন ১৩ হাজার ৬৪৩ একর। এখানে প্রায় দুই কোটি ৬৪ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় টেংরাগিরি ইকোপার্ক। ২০১৩ সালে উদ্বোধনের পর থেকেই ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠে টেংরাগিরি। 

ইকোপার্কে দেখা যায় মায়াবী হরিণ, কাঠবিড়ালি, কুমির, বানর, শুকর, সরীসৃপসহ নানা ধরনের বন্যপ্রাণী। এছাড়া আছে সুন্দরবনের হাজারও গাছ। বাহারি এসব গাছের মধ্য দিয়ে আঁকাবাঁকা তিন কিলোমিটার পথ হাঁটলেই দেখা মিলবে সমুদ্র সৈকতের।

বরগুনার তালতলী উপজেলা থেকে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার কুয়াকাটার পশ্চিম সৈকত পর্যন্ত বিস্তৃত এই বন পর্যটকদের কাছে পরিচিত ফাতরার বন হিসাবে। এই বনে হিংস্র বাঘ ছাড়াও সুন্দরবনের সব প্রাণীই আছে। তাই সুন্দরবন বেড়ানোর অনুভূতি পেতে ফাতরার বনে যান কুয়াকাটা বেড়াতে যাওয়া পর্যটকরা।

তবে ফাতরার বন ধ্বংসের কারণ হয়ে উঠছে এই পর্যটন। দলবেঁধে পর্যটকদের হৈ-হুল্লোরে এখন আর হরিণ-বানরের দেখা মেলে না। তার উপর ম্যানগ্রোভ গাছে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে অনেক পর্যটক। নানাভাবে ইকোপার্কটি ধীরে ধীরে হারাচ্ছে তার জীববৈচিত্র। 

টেংরাগিরি সংরক্ষিত ম্যানগ্রোভ বনের জীববৈচিত্র্যও নষ্ট হচ্ছে বলে পরিবেশ কর্মীরা অনেক দিন থেকেই সোচ্চার হলেও এনিয়ে প্রশাসনের কোন মাথা ব্যাথা নেই। পরিবেশ কর্মীরা বলেন, এই ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল টেকানো না গেলে প্রাকৃতিক ঝড়-ঝঞ্জা থেকে দক্ষিণাঞ্চলও রক্ষা পাবে না। তাই প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষা করেই পর্যটনের উন্নয়ন করতে হবে।

১৩ হাজার ৬৪৪ একর জমি নিয়ে তৈরি হয়েছিলো ফাতরার বন বা টেংরাগিরি বনাঞ্চল। তবে অপরিকল্পিত পর্যটন আর দুর্বৃত্তদের গাছ কেটে নেয়ায় কমে যাচ্ছে এর আয়তন।


একাত্তর/আরবিএস  

জা ও সাপ্তাহিক টানা ছুটিকে কেন্দ্র করে হিমালয়ের বরফশুভ্র প্রকাণ্ড রূপ দেখতে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ভিড় জমিয়েছিলেন দেশের দূর-দূরান্ত থেকে আসা শত শত পর্যটক। তবে টানা তিন দিন ধরে মেঘ ও কুয়াশার...
নতুন কোনো দুর্যোগ না হলে আগামী ১৬ জুলাই (বৃহস্পতিবার) থেকে পর্যটকদের জন্য বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। 
সোমবার থেকে কক্সবাজার-সেন্ট মার্টিন রুটে চলাচল করবে পর্যটকবাহী চার জাহাজ। ডিসেম্বর থেকে দ্বীপে রাত্রিযাপনের অনুমতি থাকায় ও পর্যটকের সাড়া পাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাহাজ কর্তৃপক্ষ।
পূর্ব সুন্দরবনের কচিখালীতে ভ্রমণে এসে বিদেশি এক নারী পর্যটক মারা গেছেন। হার্টঅ্যাটাকে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। 
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এবং মূল ফটক ডিঙিয়ে দিল্লির বিখ্যাত যন্তর মন্তরে প্রবেশের দায়ে গ্রেপ্তার হওয়া কাকরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই শীর্ষ নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের বিচার বিভাগীয় জেল হেফাজতের...
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ কিংবা ফ্রান্সের তুলনা টেনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজুর করা ‘শাসন পরিবর্তন’ মন্তব্য নিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই বিতর্কের জবাবে কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতা ও সংসদ...
বলিউড তারকা টাইগার শ্রফকে হত্যার উদ্দেশ্যে পরিচালিত চাঞ্চল্যকর ও রোমহর্ষক হামলার রেশ কাটতে না কাটতেই মূল তিন শ্যুটারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ের জুহুতে টাইগারের বিএমডব্লিউ...
শারদীয় দুর্গোৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন মহাঅষ্টমীতে দেবী দুর্গার জীবন্ত প্রতীক হিসেবে এক কুমারী শিশুকে আরাধনা করেছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর