তোড়জোড় চলছে চট্টগ্রাম-১০ আসনের উপ-নির্বাচন নিয়ে।
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বলছেন, দলীয় দ্বন্দ্ব কমিয়ে ভোট নিশ্চিত করাই এখন চ্যালেঞ্জ। অন্যদিকে প্রস্তুত জাতীয় পার্টির প্রার্থীও। তার দাবি, বিএনপি নির্বাচনে না থাকায় জনরায় তিনিই পাবেন।
দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র চট্টগ্রাম বন্দর। বন্দর পড়েছে চট্টগ্রাম-১০ আসনের মধ্যে। চট্টগ্রাম নগরীর এই আসনের সংসদীয় কর্তৃত্ব পেতে গুরুত্ব দেয় সব রাজনৈতিক দল।
পাঁচলাইশ-ডবলমুরিং-পাহাড়তলী থানা নিয়ে গঠিত এই আসনের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা আগের যে কোন সময়ের তুলনায় এখন ভাল।
তবে জলাবদ্ধতাসহ বেশ কিছু নাগরিক সমস্যা আছে এখনো।
ভোটাররা বললেন, যে তাদের সমস্যা-সঙ্কট থেকে বাঁচাবে, তাদের এলাকার জলাবদ্ধতার সঙ্কট নিরসনে উদ্যোগী হবে, তারা তাকেই ভোট দেবেন।
এবারের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন চট্টগ্রামের সাবেক ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতা মহিউদ্দিন বাচ্চু।
আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মহিউদ্দিন বাচ্চু বলেন, এ এলাকার মানুষের আনন্দ-বেদনা জানেন তিনি। সুতরাং তাদের বেদনা ও দুঃখ-কষ্ট লাঘবে যা যা করা দরকার, তার সবই করবেন তিনি।
নির্বাচনে আছে জাতীয় পার্টি। জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী সামসুল আলম জানান, বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, ব্যবসা-বাণিজ্যের মন্দা অবস্থা এ সব বিবেচনায় নিয়ে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী তিনি।
তবে এবারের উপ-নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও সুষ্ঠু হবে বলছেন রাজনীতিবিদরা।
চট্টগ্রামে ১৪ দলের সমন্বয়ক খোরশেদ আলম সুজন বলেন, তিনি আশা প্রকাশ করেন ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট দিতে পারবে। নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, প্রচারণার মাধ্যমে ভোটের একটা উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করবেন তারা।
আরও পড়ুন: বগুড়ায় পুলিশের ওপর বিএনপির হামলা, দফায় দফায় সংঘর্ষ
চট্টগ্রাম-১০ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ৪ লক্ষ ৮৯ হাজার। তিনবারের সংসদ সদস্য, সাবেক মন্ত্রী আফসারুল আমীন গত ২ জুন মারা গেলে আসনটি খালি হয়।
একাত্তর/জো
