যুক্তরাষ্ট্রে রমিম হত্যার বিচার হবে কি-না, তা নিয়ে সংশয় জানিয়েছেন করেছেন নিহত রমিমের স্বজনসহ সর্বস্তরের মানুষ। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত রমিম হত্যার বিচার দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধনে তারা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তোলে, অথচ সে দেশেই মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নেই।
শুক্রবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধনে রমিমের স্বজন ছাড়াও, সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, ছাত্র ও যুব সংগঠনের সদস্য, সংস্কৃতিকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।
এ সময় রমিম হত্যার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বক্তারা বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত এক আসামি যুক্তরাষ্ট্র পুলিশের হেফাজত থেকে পালিয়ে গেছে। এতে প্রমাণ হয়, সেখানে মানুষের জীবনের কোনো নিরাপত্তা নেই। অথচ বিশ্বজুড়ে তারাই মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলে।
মানববন্ধনে নিহত রমিমের ভাই রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তোলে, অথচ সে দেশেই প্রকাশ্যে মানুষ হত্যা করা হচ্ছে। তাই যুক্তরাষ্ট্রে রমিম হত্যার বিচার হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, মিসৌরির সেন্ট লুইস শহরের হ্যাম্পটন অ্যাভিনিউয়ের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকালে একটি গ্যাস স্টেশনে গুলি করে হত্যা করা হয় রমিমকে। ২২ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থীর বাড়ি মিরসরাই উপজেলার ভালুকিয়া গ্রামে। রমিম মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুদ্দিন আহমেদের ছেলে।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে গুলিতে নিহত বাংলাদেশি, বিয়েবাড়িতে বিষাদের ছায়া
পুলিশ বলছে, ওই গ্যাস স্টেশনে কাজ করতেন রমিম। বুধবার সকালে গ্যাস স্টেশনের বাইরে তার গাড়ির কাচ ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করে একদল সন্ত্রাসী। এ সময় তিনি তাদের বাধা দিলে তারা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পরে পুলিশ এসে রমিমকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মিসৌরিতে গুলি করে বাংলাদেশি ছাত্র হত্যার ঘটনায় গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে বাংলাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হবে।
একাত্তর/এসি
