গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর এলাকায় তাকওয়া পরিবহনের একটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
বৃহস্পতিবার ভোর রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সফিপুর এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
জানা গেছ, চালক রাসেল মিয়া প্রতিদিনের মতো চন্দ্রা থেকে গাজীপুরের যাত্রী বহন শেষে রাত ১১টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে বাসটি রেখে যায়। পরে ভোররাতে চার-পাঁচজন যুবক বাসটিতে আগুন দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
কালিয়াকৈর অধীনস্থ মৌচাক পুলিশ ফাঁড়ি উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুর রহমান মুন্সী জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। দুর্বৃত্তদের আটকের চেষ্টা চলছে।
বুধবার সন্ধ্যায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তফসিল ঘোষণার পরই রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে আনন্দ মিছিল করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। তবে তফসিলকে প্রত্যাখান করে টাঙ্গাইল, বগুড়া ও গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মিছিল করেছে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে বিএনপি।
এর মাঝেই মধ্যরাতে টাঙ্গাইলে ট্রেনে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটে।
এর আগে সন্ধ্যায় বগুড়ার ফুলদীঘি এলাকায় মশাল মিছিল বের করে বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মী। এসময় তারা, নির্বাচন প্রতিহতে মাঠে থাকার ঘোষণা দেন। মিছিল চলাকালে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে লরিতে আগুন ধরিয়ে দেন তারা।
টঙ্গীতে সড়কে অবস্থান নিয়ে মশাল মিছিল করে গাজীপুর মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ সময় তফসিল প্রত্যাখান করে নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগ দাবি করেন তারা। একই সময়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের মাওনা এলাকায়ও মশাল মিছিল করা হয়। এতে পৌর বিএনপির নেতাকর্মীরা অংশ নেন। এর আগে ভুরুলিয়া এলাকায় রেললাইনে আগুন দিয়ে পালিয়ে যান দলটির কয়েকজন কর্মী। পরে ফায়ার সার্ভিস গিয়ে আগুন নেভায়।
তফসিলকে একতরফা দাবি করে প্রতিবাদ জানাতে মাঠে নামে হবিগঞ্জ বিএনপি। লাঠিসোটা নিয়ে সড়কে অবস্থান করেন দলের নেতাকর্মীরা। এ সময় আওয়ামী লীগও তা প্রতিহত করতে গেলে উভয়ের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণও ঘটানো হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
