ইউরোপ-এশিয়ার বিভিন্ন দেশে নেয়ার কথা বলে জয়পুরহাটে অনেকের কাছ থেকে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে সুলতান নামে এক দালাল। তাকে টাকা দিয়েও জাল কাগজপত্রের কারণে বিদেশ যেতে না পেরে সুলতানের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছে ছয় যুবক। তাদের অভিযোগ, প্রশাসনের কাছ থেকে তারা কোনো সহায়তা পাচ্ছেন না। তবে পুলিশ বলছে, লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিদেশে পাড়ি জমানোর স্বপ্ন দেখেছিলেন জয়পুরহাটের কালাই জিন্দাপুর ইউনিয়নের এই ছয় যুবক। কিন্তু গত ২০শে মার্চ তাজিকিস্তান যেতে ঢাকা বিমানবন্দরে এসে জানতে পারেন তাদের সব কাগজপত্রই জাল।
এমন প্রতারণার কারণ জানতে গত ২২শে মার্চ থেকে একই এলাকার দালাল সুলতান মাহমুদ ওরফে মাবুদের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন এই যুবকেরা।
তারা জানান, ঋণ নিয়ে, ভিটেমাটি ও স্বর্ণালংকার বন্দক রেখে দালালকে টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু ভিসাসহ সব জাল কাগজপত্র দিয়েছে মাবুদ।
তবে অভিযুক্ত দালাল সব দায় চাপিয়েছেন এজেন্সির ওপর। ভুক্তভোগীদের টাকা ফেরত দিতে সময় চেয়েছেন তিনি।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, শুধু এই যুবকদের নয় এলাকার অনেকের সাথেই প্রতারণা করেছেন অভিযুক্ত মাবুদ।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তাদের সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের কেউ এগিয়ে আসছেন না। তবে পুলিশ বলছে, প্রতারিতরা লিখিত অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জয়পুরহাট কালাই থানার ওসি ওয়াসিম আল বারী বলেন, যেহেতু দুই পক্ষ থেকে আমাদের এখানে লিখিত কোনো অভিযোগ আসেনি। এ জন্য আমরা কোনো আইনি ব্যবস্থা নিতে পারিনি। তবে অভিযোগ আসলে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিবো।
এলাকার মানুষ বলছেন, জয়পুরহাটের বিভিন্ন উপজেলার ২০-২৫ জনের কাছ থেকে প্রায় অর্ধ কোটি করেছেন দালাল মাবুদ।
ইচ্ছেমতো জিপিএসহ ‘আসল সার্টিফিকেট’ দিতেন তিনি