লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত বাংলাদেশি কৃষক হাসিবুল ইসলামের (২৫) মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে নিহত হওয়ার প্রায় ৩৬ ঘণ্টা পর পাটগ্রাম উপজেলার খারিজা জোংড়া সীমান্ত এলাকায় বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠক শেষে মরদেহ হস্তান্তর সম্পন্ন হয়।
এর আগে গত বুধবার দুপুরে হাসিবুল ইসলামসহ কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক হাতীবান্ধা সীমান্তের ৮৯৪ নম্বর প্রধান পিলারের ৬ এস সাব-পিলারের কাছে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঘাস কাটতে গিয়েছিলেন। অভিযোগ উঠেছে, এ সময় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোচবিহার জেলার শীতলকুচি থানার নগর সিঙ্গিমারী ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা আকস্মিকভাবে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে ঘাস কাটতে থাকা বাংলাদেশিদের ধাওয়া করে এবং গুলি ছোড়ে। এতে হাসিনুর গুলিবিদ্ধ হলে বিএসএফ তাকে ধরে ভারতে নিয়ে যায়। পরে কোচবিহার জেলার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পরদিন মরদেহ ফেরত পেতে অপেক্ষা ও উদ্বেগের প্রহর কাটে হাসিনুরের পরিবারের।
বুধবার বিকেলে প্রথম পতাকা বৈঠকে বৃহস্পতিবার বিকেলের মধ্যে মরদেহ ফেরত দেয়ার আশ্বাস দিলেও বিএসএফ তা পালন করেনি। বিজিবির পুনঃপ্রতিবাদ ও যোগাযোগের পর অবশেষে বৃহস্পতিবার রাতে পুনরায় পতাকা বৈঠক শেষে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান সরকার গণমাধ্যমকে বলেন, ভারতীয় পুলিশ ও বিএসএফ বাংলাদেশের পুলিশ এবং বিজিবির নিকট লাশ হস্তান্তর করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে রাতই লাশ নিহতের বাবা এবং চাচাকে বুঝিয়ে দেয়া হয়।
বাংলাদেশের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে: পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব
একাত্তরে গণহত্যার জন্য পাকিস্তানকে ক্ষমা চাইতে বললো বাংলাদেশ