বরিশালে ঈদের আগের দিন আলাদা দুর্ঘটনায় সড়কে ঝরলো চারটি প্রাণ। যাত্রীবাহী বাস, অটোরিকশা ও ট্রাকের সঙ্গে দুর্ঘটনা দুটিতে আহত হয়েছেন আরও আট জন। বর্তমানে তারা বরিশাল শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধী রয়েছেন।
রোববার সকালে বরিশাল বিমানবন্দর থানার কাছে এবং শনিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে রায়পুরায় আলাদা এ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।
বিমানবন্দর থানার কাছে দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন- বেপারী পরিবহনের সহকারী সোহাগ। অন্যজন ওই বাসটির সুপারভাইজার, তবে তার নাম জানা যায়নি।
আর রায়পুরা সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন- সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক আল-আমীন এবং যাত্রী আলতাফ হোসেন।
মোংলা থেকে গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক নিয়ে আসা ট্রাকের মালিক মহিউদ্দিন খান জানান, সকাল সাড়ে ছয়টায় বরিশালের বিমান বন্দর থানার কাছে পৌঁছালে পেছন থাকা ঢাকা থেকে আসা বেপারী পরিবহনের গাড়ি ধাক্কা দেয়। এতে করে সড়কের পাশের ডোবায় বাস ও ট্রাক পড়ে যায়। এসময় বেপারী পরিবহনের দুই জন নিহত হয়। আহত হয় আট যাত্রী।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত বাসযাত্রীরা বলেন, বেপারী পরিবহনের চালক ঘুমিয়ে পড়া এবং গাড়ির গতি বেশি থাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
বিমানবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ এসএম মাসুদ আলম চৌধুরী জানান, বাসটি একটি ট্রাককে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে বাসের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
অপরদিকে বরিশাল ঝালকাঠী মহাসড়কের রায়পুরা নামক স্থানে রাত তিনটার দিকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং বাসের সংঘর্ষ হয়। এতে অটোর চালক আল-আমীন এবং যাত্রী আলতাফ হোসেন ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মানসী বৈদ্য জানান, দুর্ঘটনায় রাত থেকে এখন পর্যন্ত মৃত অবস্থায় তিন জনকে জরুরি বিভাগে নিয়ে এসেছে। এছাড়া একজন হাসপাতালে আনার পর মারা গেছেন। আহতদের হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।
ঈদযাত্রায় রাত থেকে ভোগান্তির পর উত্তরের পথে স্বস্তি