সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বরগুনায় আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর কবিরের মোবাইল ফোনে আলাপের ভিডিও ভাইরাল হবার পর ঢাকা থেকে একদল পুলিশ বরগুনায় গিয়ে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় তাকে আটক করেছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ১৫ আগস্ট পালন করা নিয়ে ওই ভিডিওর কথোপকথনে নাশকতার পরিকল্পনা সন্দেহে তাকে আটক করা হয়েছে।আটক জাহাঙ্গীর কবির বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান।
বুধবার সকাল ছয়টার দিকে বরগুনা পৌরসভার আমতলার পাড় এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।
আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, সোমবার রাতে শেখ হাসিনার সঙ্গে জাহাঙ্গীরের ফোনে আলাপ হয়। ওই ফোনালাপে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আপনারা শৃঙ্খলা মেনে দলীয় কার্যক্রম চালাবেন। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসকে যথাযথভাবে পালন করবেন।’
এ সময় জাহাঙ্গীর কবির শেখ হাসিনাকে বলেন, ‘আপা আপনি ঘাবড়াবেন না। আপনি ঘাবড়ালে আমরা দুর্বল হয়ে যাই। আমরা শক্ত আছি।’
জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি ঘাবড়াবো কেন? আমি ভয় পাইনি। আপনারা দেখছেন, আমাদের পুলিশ বাহিনীকে মেরে কীভাবে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমাদের কর্মীদের মেরেছে। বোরকা পরে মেরেছে। এ দেশটা রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন হয়েছে। আপনারা যেভাবে আছেন থাকেন।’
বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্বাস হোসেন মন্টু মোল্লা দাবি করেন, শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনে কথা বলার জন্যই জাহাঙ্গীর কবিরকে আটক করা হয়েছে। নেতাকর্মীরা এখন গ্রেপ্তার আতঙ্কে আছেন।
বরগুনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম মিজানুর রহমান জানান, ঢাকা থেকে পুলিশের একটি দল জাহাঙ্গীর কবিরকে আটক করতে বরগুনায় আসেন। আমরা তাদের সহযোগিতা করেছি। ১৫ আগস্ট পালন নিয়ে ওই কথোপকথনে নাশকতার আশঙ্কা সন্দেহে তাকে আটক করা হয়েছে।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এবার অপহরণ মামলার আবেদন