প্রার্থীদের আচরণবিধি মেনে সুষ্ঠু পরিবেশে প্রচার-প্রচারণা চালানোর আহবান জানিয়ে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আনিছুর রহমান বলেছেন, ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট কারচুপি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তাই ভোটের ফল যা হয় তা মেনে নিতে আহবান জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লা সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন উপনির্বাচনের প্রার্থীদের সঙ্গে আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ইসি আনিছুর।
আলোচনা সভায় তিনি প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই নির্বাচনও দেশি বিদেশি সংস্থা পর্যবেক্ষণ করছে। এটিও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ।
বিগত নির্বাচনে পাঁচ কেন্দ্রের ভোটের ফল নিয়ে একটি বিতর্ক হয়েছে এবং একটি ফোনকল এসেছে যাতে ফল প্রকাশে বিলম্ব হয়েছে- এমন অভিযোগের তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ করে তিনি বলেন, এমন কিছুই হয়নি। এটা ভুল ধারণা। আমরা কেউ রিটার্নিং কর্মকর্তাকে কল করিনি। এবার পর পর সকল কেন্দ্রের ফলাফল প্রকাশ করা হবে। এবং রিটার্নিং কর্মকর্তার কোন সমস্যা হলে বা জরুরী প্রয়োজন হলে তিনি বাইরে যাবেন। এসময় তার পরের দায়িত্বে যিনি থাকবেন তিনি তা প্রকাশ করবেন। সুতরাং বিতর্কের সুযোগ নেই।
স্থানীয় সংসদ সদস্য (আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার) বিভিন্ন স্থানে সভা-সমাবেশ করছেন এবং তিনি একটি প্রতীকের পক্ষেও প্রচারণা করছেন- প্রার্থীদের এ অভিযোগ প্রসঙ্গে ইসি বলেন, তিনি এই এলাকার ভোটার। তিনি যা করতে পারবেন আর যা করতে পারবেন না, তা নির্বাচন আচরণবিধিতে লেখা আছে। তিনি যদি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেন, তিনি অভিযুক্ত হবেন।
সভা দুইটি শেষে সাংবাদিকদের ইসি আনিছুর বলেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এর চেয়ে ভালো জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্ভব নয়। পাকিস্তানের গণতন্ত্রের তুলনায় আপনারা কত ভালো আছেন! জাতীয় সংসদের অধিবেশন ডাকার কথা প্রেসিডেন্টের ডেকে ফেলেছে জাতীয় সংসদ সচিবালয়। হয় এটা? কিন্তু হচ্ছে ওই দেশে। সেই তুলনায় আমরা কতটা ভালো আছি।
আগামী ৯ মার্চ কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। এবার ইভিএমে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে এ নির্বাচনে।
চলাচলের রাস্তা হয়ে গেলো ময়লার ভাগাড়