ছাত্র আন্দোলনে সরকার পতনের আটদিন পার হলেও স্বাভাবিক হয়নি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রম। আসছেন না মেয়র, পলাতক আছেন বেশিরভাগ কাউন্সিলর। এতে স্থবির হয়ে পরেছে প্রায় সব ওয়ার্ডের কার্যক্রম। ব্যহত হচ্ছে নাগরিক সেবা।
এদিকে গেলো কয়েকদিনের সহিংসতায় সিটি কর্পোরেশনের প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলকায় প্রায় ৭০ লক্ষ মানুষের বাস। এখানে রয়েছে ৪১টি ওয়ার্ড কার্যালয়। এসব কার্যালয়ে জন্মসনদ, ওয়ারিশ সনদসহ মিলতো নাগরিক নানা সেবা। তবে ৫ আগস্টের পর বদলে গেছে এ চিত্র।
দুর্বৃত্তের তাণ্ডবে নগরীর প্রায় প্রতিটি ওয়ার্ড কার্যালয়ে চালানো হয় লুটপাট আর ভাঙচুর। এতে তছনছ হয়ে যায় নাগরিক সেবার নানা প্রয়োজনীয় দলিল। এ অবস্থায় এখনো বন্ধ বেশিরভাগ ওয়ার্ড ও কাউন্সিলর অফিস। খোঁজ নেই কাউন্সিলরদের। যে কারণে সেবা নিতে পারছেন না গ্রাহকরা।
সিটি কর্পোরেশনে আসছেন না মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীও। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ের নানা কার্যক্রম পরিচালিত হয় এখান থেকেই।
সংকটের কথা স্বীকার করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলছেন, নানা সমস্যা সমাধানে অন্তর্বতীকালীন সরকার প্রধানের সহযোগিতা চেয়েছেন তারা।
এমন সংকট থেকে দ্রুত উত্তরণের পরামর্শ স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞদের। তা না হলে এর প্রভাব আরও বাড়ার শঙ্কা তাদের।
মেয়র ও কাউন্সিলররা অনুপস্থিত থাকলেও সিটি কর্পোরেশনের প্রধান কার্যালয়ে অফিস করছেন অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। তবে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন ওয়ার্ড অফিস পুর্নগঠন করে কবে নাগাদ নাগরিক সেবা মিলবে সে বিষয়ে তথ্য নেই কারো কাছে।
কক্সবাজার সৈকতে ভেসে আসছে বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য