কক্সবাজারে রয়েল টিউলিপ হোটেলের সামনে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করেছেন। তারা বলেছেন, দেশের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের চক্রান্ত সহ্য করা হবে না।
জানা গেছে, ওই হোটেলেই অবস্থান করছেন কক্সবাজারে ঘুরতে যাওয়া এনসিপির পাঁচ নেতা। তারা হলেন, দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের মূখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা এবং যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ।
এর আগে এনসিপি নেতাদের কক্সবাজার সফরকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানান ধরনের আলোচনা হয়। শোনা যাচ্ছে, ঢাকায় নিযুক্ত সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসও বর্তমানে কক্সবাজারে অবস্থান করছেন। আর এনসিপি নেতারা তার সঙ্গে দেখা করেছেন।
বিক্ষোভে অংশ নেয়া স্থানীয় বিএনপির এক নেতারা একাত্তরকে বলেন, আমরা খবর পেয়েছি এনসিপির কিছু নেতা এবং বিদেশি এজেন্সির কিছু লোক এখানে এসেছেন। তারা গোপন বৈঠক করবেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। তাই আমরা প্রতিবাদ জানাতে এখানে এসেছি। তারা কেনো এমন একটা রক্তাক্ত দিনে এখানে আসবেন, তা নিয়ে আমরা সন্দিহান।
তবে সারজিস আলম, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও এনসিপি মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পিটার হাসের সঙ্গে তাদের কারো দেখা হয়নি। বিষয়টি গুজব।
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী অভিযোগ করেছেন, একটি গণমাধ্যম থেকে গুজব ছড়ানো হয়েছে। এই বিষয়ে তাদের কিছু জানা নেই।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী একাত্তরকে জানান, হাসনাত আবদুল্লাহ গত কয়েকদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তিনি সুস্থ হওয়ার পর সোমবার রাতে তারা কক্সবাজার ঘুরতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, তাসনিম জারা ও খালেদ সাইফুল্লাহ এ সফরে অংশ নেন।
কক্সবাজারে ঘুরতে গেলেন এনসিপির পাঁচ নেতা